গত বিপিএলের দুই ফাইনালিস্ট রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটস এই আসরে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি। আবারও রংপুরের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ করেছে ঢাকা। রনি তালুকদারের ফিফটিতে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের ১৮৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। রনির হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে সাকিব আল হাসান ও কিয়েরন পোলার্ডের ছোট ঝড়ে ৬ উইকেটে ১৮৬ রান করে তারা। এই আসরে প্রথম দেখায় ১৮৪ রানের টার্গেট দিয়ে ঢাকা জিতেছিল ২ রানে।
হযরতউল্লাহ জাজাই ও সুনীল নারিনের উদ্বোধনী জুটি বেশ ধীর শুরু করে। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে জাজাইকে ১৭ রানে বিদায় করেন ফরহাদ রেজা, ভাঙেন ৩৫ রানের জুটি। নারিন এরপর একটি ছয় ও দুটি চারে সাজানো মারকুটে ইনিংস খেলে পরের ওভারে বিদায় নেন। ১৯ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ২৮ রানে লং অনে ফরহাদের দুর্দান্ত ক্যাচ হন ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর সাকিব ও রনির ঝড়ো জুটিতে রানের গতি বাড়ায় ঢাকা। ১২ বলে চারটি চারে ২৫ রান করে ফরহাদের কাছে বোল্ড হন সাকিব। অধিনায়ককে ফিরিয়ে ৫৪ রানের জুটি ভাঙেন রংপুরের পেসার। একটি করে চার ও ছয়ে আন্দ্রে রাসেল ১৪ রান করে মাশরাফি মুর্তজার শিকার হন।
ছয় চার ও এক ছয় মেরে দারুণ ফিফটি হাঁকান রনি। কিন্তু ৩২তম বলে অ্যালেক্স হেলস অসাধারণ ক্যাচ ধরে তাকে ফেরান। শফিউল ইসলামের বলে থামে তার ৫২ রানের ইনিংস। পরের ওভারে শুভাগত হোম ১ রানে আউট হলে নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে পোলার্ড ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বড় সংগ্রহ এনে দেন। ২৩ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৩৭ রানে টিকে ছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান। নুরুল ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দুটি দারুণ ক্যাচ ধরার পাশাপাশি সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন ফরহাদ। মাশরাফি, নাজমুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম ও শহীদুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।








