ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন টি-টোয়েন্টি লিগের উদ্বোধনী দিনেই সুপার ওভারের রোমাঞ্চ পেল ফতুল্লার দর্শকরা। প্রাইম দোলেশ্বরের ১১১ রানের জবাবে বিকেএসপিও থামে ১১১ রানে। এরপর ফল নিষ্পত্তির সুপার ওভারে বিকেএসপি ৬ রান করলে দোলেশ্বর করতে পারে ৪ রান। তাতে দুর্দান্ত জয় দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করলো বিকেএসপি।
তাই বৃথা গেছে মানিক খানের হ্যাটট্রিক। দোলেশ্বরের এই পেসার হ্যাটট্রিক করেও জেতাতে পারেননি দলকে। সুপার ওভারে বিকেএসপির চমৎকার বোলিংয়ে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।
ফতুল্লায় আগে ব্যাট করতে নামা দোলেশ্বরের ব্যাটসম্যানরা সুমন খান ও মুকিদুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে। ৩৭ রান করতে হারায় তারা ৪ উইকেট। তবে মাহমুদুল হাসানের ৪১ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান করে দোলেশ্বর।
বিকেএসপি পেসার সুমন খান ১৮ রান খরচায় পান ৩ উইকেট। এছাড়া মুকিদুল ইসলাম নেন ২ উইকেট।
১১২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মানিক খানের গতির সামনে দিশেহারা বিকেএসপির ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১৬ রানে বিকেএসপির টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে অভিষেকে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। বিপিএলের সবশেষ আসরে কীর্তিটা প্রথম গড়েছিলেন আলিস আল ইসলাম।
যদিও পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেন ও আকবর হোসেনের ৮০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বিকেএসপি। শামীমের ৩৬ বলে ৪৫ রান করে ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আউট আকবর আলীও, ৪৪ বলে তিনি করেন ৪২ রান। ততক্ষণে অবশ্য জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বিকেএসপি। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান। কিন্তু ৯ রান তুলতে পারায় ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। সেখানে চমৎকার বোলিংয়ে জয় নিশ্চিত করে বিকেএসপি।
বিকেএসপি ম্যাচটি জিতলেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন হ্যাটট্রিক-ম্যান মানিক খান। ১২ রান খরচায় তিনি পেয়েছেন ৪ উইকেট।








