গত কয়েক বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলে চলেছেন রকিবুল হাসান। চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রথম দুই রাউন্ডে তার ব্যাটেই জিতেছে মোহামেডান। জাতীয় দল থেকে উপেক্ষিত এই ব্যাটসম্যান দলকে জেতাতে পেরেই খুশি।
বাংলাদেশের সাবেক কোচ জিমি সিডন্সের খুব পছন্দের ক্রিকেটার ছিলেন রকিবুল। যদিও ২০১১ সালের পর জাতীয় দলের হয়ে কোনও ফরম্যাটেই আর খেলা হয়নি তার। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজের প্রাথমিক দলে একবার ডাক পেলেও মূল দলে সুযোগ হয়নি তার। অবশ্য জাতীয় দল কিংবা অন্য কিছু নিয়ে তার তেমন ভাবনা নেই, ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়েই ভালো আছেন রকিবুল।
মঙ্গলবার খেলাঘরকে হারিয়েছে মোহামেডান। এই জয়ের পথে রকিবুল খেলেন অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস। আগের ম্যাচে গাজী গ্রুপকে হারানোর পথেও রকিবুলের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৮২ রান। টানা দুটি ভালো ইনিংস খেলে স্বভাবতই তৃপ্ত ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান, ‘ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো হলে নিজের অনুভূতিটাও ভালো থাকে। নিজেও ভালো খেলেছি, দলও জিতেছে- খেলোয়াড় হিসেবে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো খেলে চলেছেন রকিবুল। তবু জাতীয় দল নিয়ে তেমন স্বপ্ন নেই তার। বাস্তবতা ভালোই বোঝেন তিনি। তাই জাতীয় দল নিয়ে ভাবনা নেই তার, ‘আমার মনে আসলে এইসব নিয়ে কোনও ভাবনা নেই। আমি যেখানেই খেলি, ওটা নিয়েই চিন্তা করি। ওখানে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার চেষ্টা করি, এরপর যা হবার হবে।’
গত কয়েক বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে মোহামেডান ব্যর্থ। যদিও চলতি মৌসুমের প্রথম দুটি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি রকিবুলের নেতৃত্বে। এই সাফল্যের রহস্য কী, এমন প্রশ্নে রকিবুলের উত্তর, ‘বিশেষ কিছু না। আমাদের দলটা এবার খুব ভালো। বোলিং বিভাগটা খুবই ভালো, ব্যাটিং লাইনআপটাও শক্তিশালী। আমাদের যে সামর্থ্য আছে, সে অনুযায়ী খেলতে পারলে এই বছর অনেক দূর যাবে দলটি।’








