যেন কোনও মোবাইল নম্বরের ডিজিট- ০, ০, ০, ২, ২, ২...। কিন্তু না, এটা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) বিকেএসপির ব্যাটসম্যানদের রান সংখ্যা। প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে মাত্র ৫০ রানে গুটিয়ে যাওয়া বিকেএসপির মাত্র এক ব্যাটসম্যান যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। অন্যদিকে ছোট সংগ্রহ দাঁড় করিয়েও ব্রাদার্সের বিপক্ষে জিতে মাঠ ছেড়েছে গাজী গ্রুপ।
প্রাইম ব্যাংক-বিকেএসপি
ফতুল্লায় বড় লজ্জায় ডুবতে হয়েছে বিকেএসপিকে। প্রাইম ব্যাংকের ৮ উইকেটে করা ২২২ রানের জবাবে মাত্র ৫০ রানে অলআউট হয়ে হেরেছে তারা ১৭২ রানে।
আল-আমিন হোসেনের বোলিং তোপে বিকেএসপির মাত্র এক ব্যাটসম্যান যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। দলীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ রান এসেছে অতিরিক্ত থেকে! এছাড়া বিকেএসপির অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ রানের বেশি করতে পারেননি কেউ। তাদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার পথে ৮ ওভারে ৩ মেডেন সহ ২০ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা আল-আমিন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা প্রাইম ব্যাংক অভিমন্যু ঈশ্বরণের ৯২ ও নাহিদুল ইসলামের ৫০ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করেছিল ২২২ রান। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন বিকেএসপির তিন বোলার- সুমন খান, নওশাদ ইকবাল ও হাসান মুরাদ।
গাজী গ্রুপ-ব্রাদার্স
বিকেএসপিতে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৯ রানে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ। ৪৯.৪ ওভারে গাজী গ্রুপ অলআউট হয় ২০৬ রানে। জবাবে ৪৮.৫ ওভারে ব্রাদার্স গুটিয়ে যায় ১৯৭ রানে।
বোলারদের দাপটের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা গাজী গ্রুপের সর্বোচ্চ স্কোরার কামরান গোলাম, ১০১ বলে করেন তিনি ৮১ রান। ৪৮ রান এসেছে মেহেদী হাসানের ব্যাট থেকে। ব্রাদার্সের সবচেয়ে সফল বোলার সাজেদুল ইসলাম, ৫৪ রান দিয়ে তার শিকার ৪ উইকেট।
২০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জুনায়েদ সিদ্দিকী ৭২ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেও জেতাতে পারেননি ব্রাদার্সকে। পরের দিকের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১৯৭ রানে অলআউট হয় তারা।
গাজী গ্রুপের এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাসুম আহমেদ। ৪৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেওয়া এই স্পিনারের হাতেই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।








