খেলোয়াড়ি জীবনের পাট অনেক আগেই চুকিয়ে ফেলেছেন শচীন টেন্ডুলকার। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপে তার খেলার প্রশ্নই ওঠে না। এরপরও এই বিশ্বকাপেই ‘অভিষেক’ হলো তার! না খেলোয়াড় হিসেবে নয়, বিশ্বকাপ দিয়েই ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে প্রথমবার সামনে এলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান।
২০১৩ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে গিয়েছেন টেন্ডুলকার। ক্রিকেট বিষয়ক কর্মকাণ্ডে তিনি বরাবরই জড়িত থাকলেও ধারাভাষ্যকার কিংবা বিশ্লেষক হিসেবে তাকে পাওয়া যায়নি। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দিয়ে সেখানে ‘অভিষেক’ হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রানের মালিকের।
২০১৯ বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃহস্পতিবার ওভালের এই ম্যাচেই প্রথমবার ধারাভাষ্যকার হিসেবে পাওয়া গেছে টেন্ডুলকারকে। এর আগে ভারতীয় চ্যানেল ‘স্টার স্পোর্টস’-এর ম্যাচ পূর্ববর্তী অনুষ্ঠানে বিশ্লেষকের ভূমিকায় ছিলেন ‘লিটল মাস্টার’।
টেন্ডুলকারের জন্য অনুষ্ঠানের ওই অংশটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘শচীন ওপেনস এগেইন’। যেখানে ভারতীয় কিংবদন্তির সঙ্গে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন তার খেলোয়াড়ি জীবনের পক্ষে-বিপক্ষে থাকা বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার।
ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের ইনিংস বিরতির সময়ও মাইক্রোফোন হাতে দেখা গেছে টেন্ডুলকারকে। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ম্যাচের অবস্থান ও পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
২৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে টেন্ডুলকার খেলেছেন ৬ বিশ্বকাপ, যেখানে ২ হাজার ২৭৮ রান নিয়ে সবার ওপরে তিনি। নির্দিষ্ট এক বিশ্বকাপেও তিনি সেরা। ২০০৩ সালের আসরে ১১ ম্যাচে বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা করেছিলেন ৬৭৩ রান।








