সোফিয়া গার্ডেনসের সবুজ পিচে সুইংয়ের সঙ্গে গতি ঝড় তুললেন নিউজিল্যান্ডের পেসাররা। যাতে অসহায় আত্মসমর্পণ করলো শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি, ২০ ওভারে লঙ্কানদের রান ৬ উইকেটে ৯২।
টস জিতে ফিল্ডিং নিতে ভাবতে হয়নি নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে। শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নেও টস হেরে জানিয়ে যান, তিনিও বোলিং করতে চাইতেন। কার্ডিফের সবুজে পিচে শুরুতে বল করতে চাইবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিউইরা সুযোগটা পেয়ে যাওয়ায় মেতেছে একের পর এক উইকেট উদযাপনে।
যদিও ইনিংসের প্রথম বলে ছিল অন্যরকম দৃশ্য। ম্যাট হেনরির ডেলিভারিতে চার হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন লাহিরু থিমিরানে। যদিও পরের বলেই ছন্দপতন, এলবিডাব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন থিরিমানে। ফিল্ড আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়ামসন। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নেওয়া রিভিউ মিস হয়নি, হেনরির বলে ৪ রান করে ফেরেন থিরিমানে।
পরের সময়টায় লঙ্কান ক্যাম্পে স্বস্তি ফিরিয়েছিলেন কুশল পেরেরা। শুরুতে উইকেট হারালেও এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ভয় ছড়ান কিউইদের মনে। কিন্তু ২৪ বলে ২৯ রান করে তিনি হেনরির দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন।
তার আউটের পরের বলেই কুশল মেন্ডিসকে (০) ফিরিয়ে হেনরি হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন। সেটা না হলেও নিউজিল্যান্ডের উইকেট উৎসব থামেনি। কিউই পেসারদের দাপটের সামনে দলের বিপদ বাড়িয়ে একে একে ফিরেছেন ধনাঞ্জয় ডি সিলভা (৪), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (০), জীবন মেন্ডিস (১)।








