দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের স্কোর ৩২ ওভারে ২ উইকেটে ২০০।
সাকিব-মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের স্তম্ভ তারা। সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের কাছে প্রত্যাশাও বেশি। সেটা পূরণেই ক্রিজে দাঁড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের দুই সেরা ব্যাটসম্যান। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের আউটের পর রানের চাকা সচল রেখেছেন তারা।
দুজনই পূরণ করেছেন হাফসেঞ্চুরি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৩তম হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সাকিব। ভারতের বিপক্ষে ওয়ার্ম-আপ ম্যাচে প্রস্তুতি ভালো না হলেও মূল মঞ্চে ফিরেছেন তিনি চেনা রূপে। ৫৪ বলে পৌঁছান এই মাইলফলকে।
বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের পরপরই হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিক। এটা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম হাফসেঞ্চুরি। ফিফটি পূরণ করেন তিনি ৫২ বলে।
হাফসেঞ্চুরি হলো না সৌম্যর
দারুণ শুরু হয়েছিল সৌম্য সরকারের। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরির কাছেও চলে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পারলেন না, ৪২ রানে আউট হয়ে গেছেন এই ওপেনার।
আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজের ঢংয়ে ইনিংস শুরু করেছিলেন সৌম্য। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের নিয়েছেন পরীক্ষা। তবে ক্রিস মরিসের বলে থামতে হয়েছে তাকে। প্রোটিয়া পেসারের শর্ট বল পুল করতে চাইলেও তার গ্লাভসে লেগে বল উঠে যায়। শূন্যে ভাসা বলটি ঝাঁপিয়ে গ্লাভসবন্দী করেন কুইন্টন ডিক।
৩০ বলের ইনিংসটি সৌম্য সাজিয়েছেন ৯ বাউন্ডারিতে। তার বিদায় বাংলাদেশ হারায় দ্বিতীয় উইকেট।
দুরন্ত সূচনার পর তামিম আউট
তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে তারা পূরণ করেছেন ‘ফিফটি’। যদিও এরপর ছন্দপতন তামিমের। এই ওপেনারের আউটে বাংলাদেশ হারিয়েছে প্রথম উইকেট।
বোলিংয়ে এসেই বাজিমাত আন্দিলে ফেলুকাওয়ের। নিজের দ্বিতীয় বলে এই পেসার ফিরিয়েছেন তামিমকে। ওপেনিং দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও লুঙ্গি এনগিদিকে হতাশ করে রান বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন তামিম-সৌম্য। ফেলুকাও বোলিংয়ে এসে ভাঙেন তাদের জুটি।
এই পেসারের লাফিয়ে ওঠা বল তামিমের ব্যাটে লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসে। তার ব্যাট থেকে ২৯ বলে আসে ১৬ রান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে আজ (রবিবার)। উদ্বোধনী ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। ওভালের এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি মুর্তজা (অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান।
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), এইডেন মারক্রাম, ফাফ দু প্লেসি (অধিনায়ক), রাসি ফন ডার ডাসেন, ডেভিড মিলার, জেপি দুমিনি, আন্দিলে ফেলুকাও, ক্রিস মরিস, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি, ইমরান তাহির।








