বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বিরল রেকর্ড গড়লেন সাকিব আল হাসান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নেমে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শীর্ষ অলরাউন্ডার হয়ে টানা তিন বিশ্বকাপ খেললেন তিনি। এছাড়া টানা চার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এই ব্যাটসম্যান। বল হাতেও মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে সাকিব খেলেছিলেন শীর্ষ অলরাউন্ডার হয়ে। আর এই বিশ্বকাপের আগে রশিদ খানের কাছ থেকে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেন। তাতেই অভূতপূর্ব রেকর্ডের মালিক হয়ে গেছেন তিনি। আগে কোনও খেলোয়াড়ই এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপ খেলেননি।
এদিন ওভালে ৫৪ বলে ৫০ রান করে আরেকটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন সাকিব। ২০০৭, ২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর এবারও প্রথম ম্যাচে পঞ্চাশ ছুঁলেন তিনি, টানা চারটি বিশ্বকাপ হাফসেঞ্চুরি দিয়ে শুরু করতে পারেনি আর কেউ। ১২ বছর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৮৬ বলে ৫৩ রান করেন সাকিব। ম্যাচটি ৫ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। চার বছর পর ঢাকায় সেই ভারতের বিপক্ষেই প্রথম ম্যাচে ৫০ বলে ৫৫ রান করেন তিনি। গতবারও হাফসেঞ্চুরি দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেন সাকিব। ক্যানবেরায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১ বলে ৬৩ রান করে দলকে উদ্ধার করেছিলেন তিনি।
ওভালে মাঠে নেমে এদিন ৫ রান করেই আরও একটি মাইলফলক ছুঁয়েছেন সাকিব। তামিম ইকবালের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১১ হাজার রানের ঘরে পৌঁছান তিনি। এই ম্যাচে ৭৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৮৪ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস।
বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মারক্রামকে আউট করে দ্রুততম সময়ে ২৫০ উইকেট ও ৫ হাজার রান করে ডাবলের রেকর্ড গড়েছেন সাকিব। মাত্র ১৯৯ ম্যাচে এই কীর্তি গড়ে জ্যাক ক্যালিস, সনাথ জয়াসুরিয়া, আব্দুল রাজ্জাক ও শহীদ আফ্রিদিকে পেছনে ফেললেন তিনি। পঞ্চম অলরাউন্ডার হিসেবে এই মাইলফলকে সাকিব।








