টানা তিন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর উপলক্ষ বাংলাদেশের সামনে। ২০১১ বিশ্বকাপের পর ২০১৫ সালের আসরেও ইংলিশদের হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার ‘হ্যাটট্রিক’ জয়ের মিশনে আজ (শনিবার) কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনসে বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায় মাঠে নামবে টাইগাররা।
২০১১ সালে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে জিতেছিল বাংলাদেশ। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওই ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাঈম ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক ও সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২২৫ রানে শেষ হয় ইংলিশদের ইনিংস। সহজ লক্ষ্যে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হলেও মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে। পেসার শফিউল ইসলামের ২৪ রানের সময় উপযোগী ইনিংসে ২ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ।
২০১৫ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ড বধ করেছিল বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিং করা টাইগাররা মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরিতে ২৭৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। এরপর রুবেল হোসেনের বোলিং তোপে ২৬০ রানেই অলআউট হয় এউইন মরগানরা। মাশরাফিরা পায় ১৫ রানের জয়।
আজকের ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সঙ্গে তিনবার দেখা হয়েছে বাংলাদেশের। দুই জয়ের বিপরীতে ২০০৭ সালের আসরেই কেবল হারের তিক্ততা আছে মাশরাফিদের। বড় মঞ্চে ইংলিশদের বিপক্ষে জয়ের পরিসংখ্যানই ভারি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপে সুপার এইটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারা দলটির সঙ্গে এখনকার বাংলাদেশের পার্থক্য অনেক। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডেকে হারানোর সুখ স্মৃতিই কেবল সঙ্গী টাইগারদের।
চট্টগ্রামের পর অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডকে হারানো বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপে তাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয়ের সামনে। কার্ডিফের ম্যাচের আগের তাই দুই জয়ের আত্মবিশ্বাস থাকছে সঙ্গী।
যদিও অতীত ইতিহাস কাজে লাগবে বলে মনে করছেন না মাশরাফি। শুক্রবার কার্ডিফের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘আগের দুই বিশ্বকাপের জয় এবার কোনও কাজে লাগবে না। ওই দুই ম্যাচে হারলেও তার প্রভাব থাকতো না। এটা নতুন ম্যাচ, দুই দলই প্রথম বল থেকে শুরু করবে। অবশ্যই আমরা গত দুই বিশ্বকাপে তাদের হারিয়েছি, তবে তার মানে এই নয় যে আবারও সবকিছু আগের মতোই হবে। অবশ্যই সুযোগ আছে। আমরা চেষ্টা করব নিজেদের সেরাটা খেলার।’








