কলম্বোর প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৩১৫ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৮ ওভারে ২ উইকেটে ৩০।
প্রস্তুতি ম্যাচে সাকিব আল হাসানের তিন নম্বরে পজিশনে আলো ছড়িয়েছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। মূল ম্যাচে তাই তার কাছে প্রত্যাশা ছিল বেশি। যদিও পারলেন না এই ব্যাটসম্যান। ১০ রান করে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্টস একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মিঠুন খেলেছিলেন ৯১ রানের ইনিংস। তার আগে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ছিল ৮৫ রানের একটি ইনিংস। রানে থাকা এই ব্যাটসম্যানের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা বেশি ছিল। কিন্তু নুয়ান প্রদীপের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার সঙ্গে রিভিউও নষ্ট করে যান মিঠুন।
মালিঙ্গার দুর্দান্ত ইয়র্কারে ঘায়েল তামিম
অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার ওয়ানডেতে নেমেছেন তামিম ইকবাল। অন্যদিকে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছেন লাসিথ মালিঙ্গা। দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে তামিমকে দুঃস্বপ্নে ডুবিয়ে আনন্দে উড়লেন লঙ্কান পেসার। তার দুর্দান্ত ইয়র্কারে কুপোকাত তামিম। রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মালিঙ্গার ইয়র্কার ডেলিভারি বুঝেই উঠতে পারেননি তামিম। বল তার ব্যাট ও পায়ের মাঝখান দিয়ে আঘাত করে স্টাম্পে। বল সামলাতে না পেরে ক্রিজে ওপর পড়েই যান তামিম! অধিনায়ক হিসেবে ব্যাট হাতে নেমে পঞ্চম বলেই শেষ তামিমের ইনিংস। তার বিদায়ে ১ রানে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট।
জিততে বাংলাদেশের চাই ৩১৫
ক্যাচ মিসের সঙ্গে চললো বাজে ফিল্ডিংয়ের মহড়া। বাংলাদেশের ‘গা ছাড়া’ মনোভাবের সঙ্গে কুশল পেরেরার অসাধারণ সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কা পেল বড় সংগ্রহ। কলম্বোর প্রথম ওয়ানডেতে পেরেরার ১১১ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে করেছে ৩১৪ রান।
কুশল পেরেরা ৯৯ বলে ১৭ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় খেলেন ১১১ রানের ইনিংস। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ব্যাট থেকে এসেছে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮ রান। মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ মিসে ‘দ্বিতীয় জীবন’ নিয়ে কুশল মেন্ডিস করেন ৪৩। দিমুথ করুণারত্নে ৩৬, লাহিরু থিরিমানে ২৫, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ১৮, আর লাসিথ মালিঙ্গা ওয়ানডে ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংসকে অপরাজিত থাকেন ৬ রানে।
লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের সামনে বাংলাদেশের প্রায় সব বোলারকেই দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। এর মধ্যেও সবচেয়ে সফল শফিউল ইসলাম। এই পেসার ৯ ওভারে ৬২ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ১০ ওভারে ৭৫ রান খরচায় মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার ২ উইকেট। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন ও সৌম্য সরকার।








