জেমস ভিন্সের প্রথম হাফসেঞ্চুরিতে জিতে নিউজিল্যান্ড সফর শুরু করলো ইংল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে খুব বড় স্কোর করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৫ উইকেটে তারা করে ১৫২ রান। ভিন্সের ঝড়ো ফিফটিতে ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছায় ইংল্যান্ড। ১৮.৩ ওভারে ৩ উইকেটে তারা করে ১৫৪ রান।
এদিন টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের লুইস গ্রেগরি, প্যাট ব্রাউন ও স্যাম কারানের। ইনজুরিতে নিউজিল্যান্ড দলে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও পেসার ট্রেন্ট বোল্ট।
তৃতীয় ওভারে মার্টিন গাপটিল (২) ফিরে গেলে কলিন মুনরোর সঙ্গে ৩৩ রানের জুটি গড়েন টিম সেইফার্ট। ক্রিস জর্ডানের বলে এউইন মরগানের হাতে ধরা পড়েন মুনরো। ২০ বলে ২১ রান করেন কিউই ওপেনার। এরপর কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৩৩ রান যোগ করেন সেইফার্ট।
ডি গ্র্যান্ডহোমকে (১৯) বিদায় করে জুটি ভাঙেন আদিল রশিদ। কিছুক্ষণ পর সেইফার্ট শিকার হন জর্ডানের, ২৬ বলে ৩২ রান করে জনি বেয়ারস্টোর ক্যাচ হন তিনি।
ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে ৫৬ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়ে শেষ ওভারে আউট হন রস টেলর। ৩৫ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৪৪ রান করেন তিনি। মিচেলের ১৭ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংসে স্বাগতিকদের স্কোর দেড়শ পার হয়। ১ রানে খেলছিলেন মিচেল স্যান্টনার।
জর্জান ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান কারান, রশিদ ও ব্রাউন।
লক্ষ্যে নেমে সতর্ক শুরু করে ইংল্যান্ড। ষষ্ঠ ওভারে ডেভিড মালানকে (১১) ফিরিয়ে ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন স্যান্টনার। দশম ওভারে বেয়ারস্টো ২৮ বলে ৩৫ রান করে স্যান্টনারের দ্বিতীয় শিকার হলে তিন নম্বরে নামেন ভিন্স। ৩৩ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ফিফটি করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
দলের ১২২ রানে স্যান্টনারের বলে আউট হন ভিন্স। ৩৮ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৫৯ রান করে গাপটিলের হাতে ধরা পড়েন তিনি। আর কোনও উইকেট হারায়নি সফরকারীরা। ৩২ রানের অপরাজিত জুটিতে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান মরগান ও স্যাম বিলিংস। ২১ বলে চারটি চার ও একটি ছয়ে ৩৪ রানে খেলছিলেন মরগান, বিলিংস অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।
ইংল্যান্ডের তিনটি উইকেটই পান স্যান্টনার। ম্যাচসেরা হয়েছেন ভিন্স। আগামী রবিবার ওয়েলিংটনে দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।








