নাগপুরে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের কাছে টস হেরে ব্যাট করছে ভারত। ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৯ রান তাদের। ব্যাট করছেন ঋষভ পান্ত ও শ্রেয়াস আইয়ার।
শফিউল ইসলামের বলে দুই ওপেনার ফেরার পর লোকেশ রাহুল ও শ্রেয়াস আইয়ারের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি অস্বস্তিতে রেখেছিল বাংলাদেশকে। লোকেশ ৩৩ বলে ফিফটি করেন। এর ২ বল পর আল আমিন হোসেনের শিকার হন তিনি। ৩৫ বলে ৭ চারে ৫২ রান করে লিটন দাসের ক্যাচ হন লোকেশ। আল আমিন দ্বিতীয় স্পেলে বল হাতে নিয়েই ভাঙেন ৪১ বলে ৫৯ রানের জুটি।
ধাওয়ানকেও ফেরালেন শফিউল
শফিউল ইসলাম তার তৃতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে ফেরালেন। ষষ্ঠ ওভারে তার দ্বিতীয় বলে অনেক উঁচুতে শট খেলেন ধাওয়ান। ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ ধরেন মাহমুদউল্লাহ। ১৬ বলে চারটি চারে ১৯ রান করেন ধাওয়ান। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে তার জুটি ছিল ২৩ বলে ৩২ রানের।
ওই ওভারের পঞ্চম বলেই শ্রেয়াস আইয়ারকে জীবন দেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ভারতীয় ব্যাটসম্যানের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় বলে জীবন পেয়ে এক রান করেন আইয়ার।
দ্বিতীয় ওভারে রোহিত বোল্ড
প্রথম ওভারে আল আমিন হোসেন দেন মাত্র ৩টি রান। এরপর দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে শফিউল ইসলাম ভাঙেন রোহিত শর্মার লেগ স্টাম্প। ৬ বলে ২ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক। দিল্লিতে প্রথম ম্যাচেও প্রথম ওভারেই তিনি এলবিডাব্লিউ হন শফিউলের বলে।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
ভারতের মাটিতে প্রথমবার ভারত বধের উল্লাস করেছিল বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে। এবার ঐতিহাসিক অর্জনের সামনে তারা। সিরিজ জয়ের হাতছানি নিয়ে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে সফরকারীরা। দলে একটি পরিবর্তন রয়েছে, মোসাদ্দেক হোসেনের বদলে এসেছেন মোহাম্মদ মিঠুন। ভারতেও রয়েছে একটি বদল, ক্রুনাল পান্ডিয়ার জায়গায় মনিশ পান্ডে ঢুকেছেন।
ফেভারিট হয়েই এই ম্যাচ খেলছে ভারত। কারণ দেশের মাটিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ কখনও হারেনি তারা। তার ওপর দ্বিতীয় ম্যাচে ১৬ ওভারের মধ্যে ৮ উইকেটে জিতে আত্মবিশ্বাসে অনেক এগিয়ে স্বাগতিকরা। তবে বাংলাদেশ এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। ৭ উইকেটে জিতে সিরিজ শুরু করা সফরকারীরা দিল্লির সাফল্যের পুনরাবৃত্তি চায় যে কোনও মূল্যে। নিজেদের সেরাটা দিয়ে ইতিহাস গড়তে চান মাহমুদউল্লাহরা।
একটি ব্যাপার কিন্তু বাংলাদেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে। নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে ভারত তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে হেরেছে দুটি। তাদের আরেকবার ব্যর্থ করতে পারলে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্যের স্বাদ পেতে পারে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন, শফিউল ইসলাম।
ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, ঋষভ পান্ত, শিবম দুবে, মনিশ পান্ডে, ওয়াশিংটন সুন্দর, যুজবেন্দ্র চাহাল, দীপক চাহার, খলিল আহমেদ।








