চট্টগ্রামে বুধবার ব্যাটসম্যানরা ঝড় তুলেছেন। সিলেটের ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদির পর চিটাগংয়ের তামিম ইকবাল ও তিলকারত্নে দিলশান ঝড় দেখেছে সমর্থকরা।
সিলেট সুপারস্টারসের দেওয়া ১৪০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৩ বল বাকি থাকতেই ১০ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় চিটাগং ভাইকিংস। চিটাগংয়ের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও তিলকারত্নে দিলশান দুজনেই ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। চিটাগংয়ের এই জয়ে কিছুটা হলেও বেঁচে থাকছে তাদের সেমির স্বপ্ন!
তামিম ইকবাল ৫১ বলে ৮ চারে ইনিংসটি সাজান। অন্যদিকে দিলশান ৪৬ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৭ রানের এই অনবদ্য ইনিংস খেলেন।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে সবাই অসহায় আত্মসমপর্ণ করেছেন চিটাগংয়ের দুই ওপেনারের কাছে। মঙ্গলবার উড়ে আসা শহীদ আফ্রিদি ও সোহেল তানভীর কেউই সুবিধে করতে পারেননি বল হাতে। সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল বোলার ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি ২.১ ওভারে খরচ করেছেন ২৭ রান।
এর আগে শহীদ আফ্রিদির দৃঢ়তায় নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে সিলেট সুপারস্টারস। ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যস্ত সিলেটের হাল ধরেন আফ্রিদি। তার ব্যাটিং তাণ্ডবে ভেঙে পড়া স্কোর বোর্ড সহজেই জোড়া লাগে। তৃতীয় আসরে নিজের প্রথম ম্যাচেই চট্টগ্রামে ঝড় তুলেছেন পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডার।
স্বদেশি মোহাম্মদ আমিরের বল লাইন মিস করাতে ক্লিন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন আফ্রিদি। তার আগে অবশ্য দুই বার তাসকিনের কারণে বেঁচে যান হার্ডহিটার এই ব্যাটসম্যান। ১২ রানে জীবন পাওয়া আফ্রিদি তার ইনিংসটি নিয়ে যান ৬২ রানে। ৪১ বলে ৪ ছয় এবং ৫ চারে তিনি ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
আফ্রিদি ছাড়া সিলেটের আরও কোনও ব্যাটসম্যানই বড় স্কোর গড়তে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সোহেল তানভীরের (১৭) ব্যাট থেকে। শেষ দিকে রাজ্জাক ও শহীদের ব্যাটিংয়ে স্কোর বোর্ড কিছুটা সমৃদ্ধ হয় সিলেটের।
চিটাগংয়ের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ আমির, আসিফ হাসান ও বিলওয়ালা ভাট্টি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/এএ/








