আগামী বছর ১১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৬ষ্ঠ আসর বসবে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। বৃহস্পতিবার বাছাইপর্বের খেলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম সেমিফাইনালে ৩১ রানে জয় পেয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আর তাতেই বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নটা পূরণ হলো মেয়েদের।
নিয়ম অনুযায়ী বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলটিই বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। বাংলাদেশ নারী দল গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচেই জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জিতে ফাইনালে উঠলো। আগামী ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল খেলা। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচও একই দিন অনুষ্ঠিত হবে।
টসে হেরে বাংলাদেশের মেয়েরা ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় জিম্বাবুয়ের অধিনায়কের কাছ থেকে। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে ফারজানা হকের ব্যাট থেকে। এছাড়া শারমিন আক্তার ২২ রান করেছেন। বড় স্কোরের পথে থাকা এই দুই ব্যাটসম্যানই দূর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হতে হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে জোসপেইন নিকোমু সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া মাজভিসিয়া একটি উইকেট নেন।
৯০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জিম্বাবুয়ে নারী দল নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। রুমানা আহমেদের বোলিং তোপে পড়ে ৫৮ রানেই আটকে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। রুমানা আহমেদ ৪ ওভার বল করে ৮ রান খরচায় নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া ফাহিমা খাতুন ও শায়লা শারমিন প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেবলমাত্র মুজাজি দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন। তিনি ১০ রান করে আউট হয়েছেন।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ থাইল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি ও স্কটল্যান্ড বিপক্ষে জয় লাভ করে।
বাংলাদেশ সময় দুপুরে থাইল্যান্ড এবং চীন দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচে যারা জয় লাভ করতে তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে বাছাইপর্বের ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেবে।
প্রসঙ্গত, ১০ দলের টি-টোয়েন্টি নারী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাওয়া ৮ দল হচ্ছে- অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
/আরআই/এমআর/








