বিপিএলে ক্রিস গেইল, সাজসাজ রব পড়ে গিয়েছিল আজ মঙ্গলবার। সপ্তম আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে ঝড়ের আভাসও দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনার। কিন্তু থামতে হয় ছোট ইনিংসেই। দর্শকদের তিনি বেশিক্ষণ মাতাতে না পারলেও লেন্ডল সিমন্স ও ইমরুল কায়েসের ফিফটিতে রাজশাহী রয়্যালসকে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। একই সঙ্গে রাজশাহীর কাছ থেকে শীর্ষস্থানও কেড়ে নিয়েছে।
৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইমরুল। ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার ওপরে চট্টগ্রাম। সমান ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেছনে রাজশাহী (১৪)। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ঢাকা প্লাটুন। খুলনা টাইগার্স চার নম্বরে, ৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১০।
গেইল ঝড় তুলেছিলেন। তৃতীয় ওভারে আফিফ হোসেনের ওপর চড়াও হন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। ৩ ছয় ও এক চারে ওই ওভারে ২২ রান তোলেন। গ্যালারির দর্শকরা যখন আরেকবার গেইল ঝড় দেখার জন্য নড়েচড়ে বসছিল, ঠিক তখনই আউট। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে পেছনে ইরফান শুক্কুরের গ্লাভসে ধরা পড়েন। এই বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচে ১০ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে ২৭ রানে থামেন গেইল।
ইনিংসের প্রথম বলেই চার মেরে চট্টগ্রামকে দারুণ শুরু এনে দেন লেন্ডল সিমন্স, ওভারে আসে ১২ রান। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওপেনার ৭৭ রানের জুটি গড়েন দ্বিতীয় উইকেটে। ৪২ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে হাফসেঞ্চুরির পরের বলে রান আউট হন সিমন্স।
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ দুটি চার মেরে ১০ রানে আউট হওয়ার পর ইমরুল হাল ধরেন দলের। ৩১ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ফিফটি করেন তিনি। এই বিপিএলে এটি তার চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি। ৪১ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইমরুল। অন্য পাশে চ্যাডউইক ওয়ালটন ১৪ রানে খেলছিলেন। ১৮.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭০ রান করে চট্টগ্রাম।
এর আগে রাজশাহীকে ৮ উইকেটে ১৬৬ রান এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন লিটন দাস। ৪৫ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৫৬ রান করেন লিটন। শোয়েব মালিকের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়ে আউট তিনি।
রাজশাহী বড় ধাক্কা খায় ১৬তম ওভারে, ১০ বলে ১ চার ও ২ ছয়ে ঝড় তোলা আন্দ্রে রাসেলকে (১০) ও রবি বোপারাকে (৪) ফেরান রুবেল। এরপর জিয়াউর রহমান তার টানা দুই ওভারে অলক কাপালি (১) ও মালিককে (২৮) থামান। শেষ দিকে ফরহাদ রেজার ৮ বলে করা ২১ রানে দেড়শ পার করে শীর্ষে থেকে এই ম্যাচ খেলতে নামা দলটি।
রুবেল ও জিয়াউর সমান তিনটি করে উইকেট নেন।








