সিলেট সুপারস্টারসকে উড়িয়ে দিতে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন রংপুর রাইডার্সের স্পিনার আরাফাত সানি। সোমবার সিলেটের ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে পড়ে তার বোলিং তোপেই। ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কারও।
এমন সাফল্যের পেছনে উইকেট কি কোনও ভূমিকা রাখছে এমন প্রশ্নে আরাফাত সানি বলেন, ‘উইকেটে ভিন্নতা অবশ্যই ছিল। তবে আমি এগুলো নিয়ে ভাবি না। আমার এতোদিনের ক্যারিয়ারে, আমি কখনোই উইকেট দেখে বোলিং করিনি। উইকেট যেমনই হোক ভাগ্য সহায়তার সঙ্গে ভালো জায়গায় বোলিং না করলে সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়।’
চলতি বিপিএলে মিরপুর স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করা দলটি শুরুতেই ভেঙ্গে গেছে। উইকেটে নাজুক অবস্থা এর জন্য দায়ি কিনা এমন প্রশ্নে রংপুর রাইডার্সের ডানহাতি এই স্পিনার বলেন, ‘আমার মনে হয় না উইকেট খুব বাজে ছিল। ওরা (সিলেট) তাড়াহুড়া করছিল। আমি আমার পরিকল্পনা অনুযায়ি উইকেট টু উইকেট বোলিং করছিলাম। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে একজন বোলার যত বেশি ডট বল করতে পারবে, ব্যাটসম্যানদের দিকে তত চাপ তৈরি হবে।’
অনেক দিন পর ইনিংসের শুরুতেই বোলিং করলেন কেমন লাগছে এমন প্রশ্নের জবাবে সানি বলেন, ‘আমি অনেক দিন পর শুরুতে বোলিং করেছি। খুব উপভোগ করছিলাম। শুরুতে বল করলে একটি সুবিধা থাকে; ওখানে সিঙ্গেল বের করা কঠিন থাকে। জিনিসটা চ্যালেঞ্জের হলেও উপভোগ করার সুযোগ থাকে।’
রংপুরের প্রথম ম্যাচে ৩ ওভার বল করে ৩৮ রান দিয়েছিলেন আরাফাত সানি। প্রথম ম্যাচের পর থেকেই সফলতা পাচ্ছেন তিনি। এমনকি বিপিএলের এই আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি। সাফল্যের রহস্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটে পারফরম্যান্স উঠানামা করে, এটাই স্বাভাবিক। আমার পরিকল্পনা থাকে যত কম রান দেওয়া যায়।’
জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি নাকি রংপুরের অধিনায়ক সাকিব, এই দুইজনের মধ্য থেকে কাকে এগিয়ে রাখবেন। এমন প্রশ্নে সানি বলেন, ‘দুজনই খুব ভালো অধিনায়ক। সাকিবের অধিনায়কত্বে দ্বিতীয় বারের মতো খেলছি। এর আগে এক বছর তার অধিনায়কত্বে ঘরোয়া লিগ খেলেছি। দুইজনই আক্রমণাত্মক অধিনায়ক। যতটা পারি চেষ্টা করি ওদের কথা শোনার; ওদের পরিকল্পনা মতো বোলিং করার। ঠিক মতো বাস্তবায়ন করতে পারলে এটা আমার জন্য ভালো।’
/আরআই/এমআর/








