সিলেটের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ করেছে ৩২২ রান। সেই লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়ের স্কোর ২৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৬।
উইকেট উদযাপন করতে মাত্র ৪ বল অপেক্ষা করতে হলো তাইজুল ইসলামকে। নিজের প্রথম ওভারেই তিনি বোল্ড করে ফিরিয়েছেন টিনাশে কুমুনুকামওয়ে।
নাজমুল হোসেন শান্তর সৌজন্যে একবার জীবন পেয়েছিলেন জিম্বাবুয়ে ওপেনার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরিও পূরণ করেন তিনি। যদিও ফিফটি করে বেশিদূর যেতে পারেননি। ৭০ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৫১ রানে বোল্ড হয়েছেন তাইজুলের বলে।
কুমুনুকামওয়ের বিদায়ে ১০২ রানে জিম্বাবুয়ে হারায় চতুর্থ উইকেট।
এবার মিরাজের উইকেট উদযাপন
দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট করে বাংলাদেশকে এনে দিয়েছিলেন দ্বিতীয় উইকেট। এবার বল হাতে উইকেট পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক শন উইলিয়ামসকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়েছেন তিনি এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে।
এই স্পিনারের স্টাম্প বরাবর থাকা ডেলিভারি ব্যাকফুটে দিয়ে কাট করতে চেয়েছিলেন উইলিয়ামস। কিন্তু বল ব্যাটে লাগার আগেই সরাসরি আঘাত করে তার প্যাডে। বাংলাদেশের জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। তাতে ১৪ রানে শেষ হয় উইলিয়ামসের ইনিংস।
মিরাজের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট টেলর
অবিশ্বাস্য ফিল্ডিংয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ এনে দিলেন দ্বিতীয় উইকেট। দুর্দান্ত থ্রোতে তিনি রান আউট করে ফিরিয়েছেন ব্রেন্ডন টেলরকে।
শফিউল ইসলামের বল মিড-অনে ঠেলে দিলে সিঙ্গেলস নিতে চেয়েছিলেন টেলর। কিন্তু মিরাজ প্রথমে ঝাঁপিয়ে বাঁ হাত দিয়ে বল ঠেকিয়ে ডান হাতের থ্রোতে ভেঙে দেন স্টাম্প। মিরাজের দুরূহ কোণ থেকে রান আউট করার দৃশ্য জন্টি রোডসের কথাই যেন মনে করিয়ে দিলো। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে টেলর ২১ বলে করেন ১১ রান।
প্রথম উইকেট এনে দিলেন শফিউল
শুরুতেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দিলেন শফিউল ইসলাম। এই পেসারের বলে ফিরে গেছেন রেগিস চাকাভা।
শফিউলের লাইনে থাকা বল রক্ষণাত্মকভাবে খেলেছিলেন চাকাভা। কিন্তু বল তার ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে উঠে যায়। কভারে দাঁড়িয়ে থাকা লিটন দাস নেন সহজ ক্যাচ। আউট হওয়ার আগে জিম্বাবুয়েন ব্যাটসম্যান করেন ২ রান। দলীয় ১৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩২২
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মঞ্চটা তৈরি করে রাখলো বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও স্বাগতিকরা পেয়েছে বিশাল স্কোর। এবার আগের সর্বোচ্চ স্কোরকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা। তামিম ইকবালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে করেছে ৩২২ রান। ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি পূরণ করে তামিম খেলেছেন ১৫৮ রানের ঝলমলে ইনিংস।








