টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। কিন্তু বাঁহাতি পেসারের সিদ্ধান্তটা ভালোভাবে নেয়নি পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাকে ছাড়াই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল গড়ার পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানি মিডিয়ায়। বিষয়টিতে রীতিমত অবাক দলটির সাবেক কোচ মিকি আর্থার। আমিরকে ছাড়া পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাচ্ছে, ভাবতেই পারেন না তিনি।
সাদা বলের ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন আমির। তার পথে হেঁটেছেন সিনিয়র পেসার ওয়াহাব রিয়াজও। গুরুত্বপূর্ণ দুই পেসার, বিশেষ করে আমিরের হঠাৎ অবসর ভালো চোখে দেখেনি পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট। তারই রেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাঁহাতি পেসার ছিলেন দলের বাইরে।
শুধু তা-ই নয়, অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনাতেও নাকি নেই আমির। বিষয়টি ভাবতেই পারেন না আমিরের একসময়কার কোচ আর্থার। এক ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ বলেছেন, ‘আমিরকে ছাড়া পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভাবাই যায় না। ও ম্যাচ-উইনার। যদি আপনি তাকে রেখে যান, এর অর্থ হলো আপনি প্রতিযোগিতা জেতার সুযোগ ছুঁড়ে ফেললেন।’
আর্থার মনে করেন না আমির ও ওয়াহাব লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসরে গিয়ে দলকে বিপদের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছেন। বরং টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর চিন্তা এই দুই পেসারের মধ্যে অনেক আগে থেকেই ছিল। আর্থারের বর্ণনায়, ‘আমির আমার সঙ্গে এটি (অবসর) নিয়ে কথা বলেছিল এবং তার সিদ্ধান্তটি আমার কাছে বন্দি রেখেছিল। বিষয়টি নিয়ে আমরা অনেকবার কথা বলেছি। তবে আমি সম্ভবত কিছুটা কঠিন ছিলাম, কারণ যতটা সম্ভব আমি সব টেস্টেই ওকে খেলাতাম। একসময় দেখলাম ও টেস্ট ক্রিকেটের ক্ষুধা হারিয়ে ফেলছে এবং ওর শরীর তিন ফরম্যাটের ধকল সইতে পারছে না।’
তাই আমিরের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা আর্থারের, ‘আমির টপ ক্লাস বোলার এবং ম্যাচ-উইনার। আমি ওর বোলিং উপভোগ করি। তবে টেস্ট ক্রিকেট থেকে তার সরে দাঁড়ার কারণ হিসেবে আমার মনে হয়, সাদা বলের ক্যারিয়ার লম্বা করার জন্য ও নিজেকে একটা সুযোগ দিয়েছে।’








