সামনের অক্টোবর-নভেম্বরে হওয়ার কথা ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে একে একে ক্রীড়াঙ্গনের সব খেলা যেভাবে স্থগিত কিংবা বাতিল হয়ে যাচ্ছে, তাতে সংশয় রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতাটি নিয়েও। সেই শঙ্কা মাথায় রেখেই বিশ্বকাপ ঘিরে একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছেন ফাফ ডু প্লেসি।
বুধবার রাতে তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভ আড্ডায় ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। আলাপচারিতায় সামনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছেন দুই তারকা ব্যাটসম্যান। সবার আগে খেলোয়াড়-স্টাফদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করে যেকোনও প্রতিযোগিতা আয়োজনের পক্ষে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে দুই দফায় আইসোলেশনের ব্যবস্থা রাখার দাবি ডু প্লেসির।
তার চাওয়া, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পর দুই সপ্তাহ আইসোলেশনে থাকবেন খেলোয়াড়রা। এরপর টুর্নামেন্ট শেষে আরও দুই সপ্তাহ আইসোলেশন শেষে প্রত্যেক দল নিজ নিজ দেশে ফিরবে। এতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাদের দেশগুলোও সুরক্ষিত থাকবে বলে মনে করেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।
তামিমের আড্ডায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ডু প্লেসির ভাবনা, ‘জানি না (কবে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ)। পত্রিকায় পড়লাম অনেক দেশে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আছে এবং তারা (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ) ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে আয়োজনের কথা বলছে। অন্যান্য দেশের মতো অস্ট্রেলিয়া সেভাবে আক্রান্ত না হলেও করোনায় মারাত্মক আকার ধারণ করা বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ভারত থেকে সে দেশে মানুষ যাবে। এতে স্বাভাবিকভাবেই তাদের (অস্ট্রেলিয়া) স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাবে।’
এরপরই সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক বললেন, ‘এই কারণে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে দুই সপ্তাহ আইসোলেশন ও শেষ হওয়ার পর দুই সপ্তাহ আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে জানি না কবে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলবে।’
সূচি অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর শুরু হয়ে ১৫ নভেম্বরের ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যদিও নির্ধারিত সময়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়।







