সোনালি দিন হারিয়ে বড্ড বিবর্ণ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। তবুও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের লড়াইয়ের আলাদা একটা মর্যাদা আছে। কালের পরিক্রমায় এখনও ইংলিশদের আগ্রহের বড় জায়গা নিয়ে আছে দুই দলের ক্রিকেট লড়াই। তবে অন্য সব বারের তুলনায় এবারের সিরিজটি একেবারেই অন্যরকম। যে সিরিজের দিকে শুধু ইংল্যান্ড, তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। করোনাভাইরাসে লম্বা সময় বন্ধ থাকার পর তাদের টেস্ট দিয়েই যে আবার শুরুর অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট! এমনি তো আর এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ বলা হচ্ছে না।
ক্রিকেট বিশ্বের আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সেই সিরিজ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল এখন ইংল্যান্ডে। আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ সময় বিকেলে ম্যানচেস্টারে পৌঁছায় ক্যারিবিয়ান দলটি। মার্চে যুক্তরাজ্যে লকডাউন ঘোষণা পর প্রথম কোনও বিদেশি দল হিসেবে ইংল্যান্ডে পৌঁছেছে তারা।
তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর কথা ছিল ৪ জুন। তবে করোনার কারণে পিছিয়ে দুই দলের লড়াই শুরু হবে ৮ জুলাই, বায়ো-সিকিউর স্টেডিয়ামের ফাঁকা গ্যালারিতে। ঐতিহাসিক সফরে ৩৯ সদস্যের ক্যারিবিয়ান দলে খেলোয়াড় রয়েছেন ২৫ জন।
অ্যান্টিগা থেকে ম্যানচেস্টারের উদ্দেশে চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঠার আগে সবার করোনা পরীক্ষা ‘নেগিটিভ’ এসেছে। তবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তাদের তিন সপ্তাহের কোয়ারেন্টিন ও অনুশীলন ক্যাম্পে আবারও করোনা পরীক্ষা করা হবে। সেখানে ফল ‘নেগিটিভ’ এলেই সাউদাম্পটনের প্রথম টেস্ট খেলার ‘ছাড়পত্র’ মিলবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট হবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। দুটো ভেন্যুই টিম হোটেলের খুব কাছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার বলেছেন, ‘ক্রীড়াঙ্গন বিশেষ করে, ক্রিকেটের জন্য এটা (ইংল্যান্ড সফর) বিশাল বড় ধাপ। খেলা শুরুর নতুন পর্বে কী হবে, সেই প্রস্তুতিতে অনেকটা সময় চলে গেছে।’ বিশ্ব সবশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছিল ১৩ মার্চ, যখন দর্শকশূন্য সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড।
ইংল্যান্ড সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশাল দল নিয়ে এসেছে, মূল দলের সঙ্গে আছে অতিরিক্ত খেলোয়াড়। এরপরও করোনাভাইরাস শঙ্কায় এই সফরে আসেননি তিনজন- দুই ব্যাটসম্যান শিমরন হেটমায়ার ও ড্যারেন ব্রাভোর সঙ্গে অলরাউন্ডার কিমো পল।








