১৯৯ দিন পর মিরপুরে ক্রিকেট ফিরলেও তামিম ইকবালের অপেক্ষা আরও একটু দীর্ঘায়িত হয়। প্রথমত, ১১ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন না তিনি, দ্বিতীয়ত স্কিল ক্যাম্পের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ফিট না থাকায় খেলেননি। সব মিলিয়ে তার মাঠে নামার অপেক্ষাটা ২০৪ দিনের। তবে ফিরেই রায়ান কুক একাদশের জয়ে রাখলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
ওটিস গিবসন একাদশ প্রথম দিনের করা ২৪৮ রানে ইনিংস ঘোষণা করায় ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায় রায়ান কুক একাদশ। কিন্তু আজ (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ও শেষ দিনে প্রথম সেশনের পুরোটা সময়ই চলে যায় বৃষ্টির পেটে। ফলে ম্যাচের পরিধি কমে খেলা মাঠে গড়ায় ৪৩ ওভারে। কার্টেল ওভারের নিয়ম অনুযায়ী, তামিমদের জিততে করতে হতো ২০০ রান। ৩৭.৪ ওভারে তামিম ও সাদমানের ব্যাটে অনায়াসেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রায়ান কুক একাদশ।
দুপুর ১টায় মাঠে নামেন তামিম-সাদমান। দুজন মিলে ওপেনিং জুটিতে যোগ করেন ১০৭ রান। প্রথম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের সামনে কিছুটা আঁটোসাঁটো থাকলেও পরের ওভারগুলো থেকে পাওয়া যায় সাবলীল তামিমকে। আউট হওয়ার আগে খেলেছেন ৬৪ রানের ইনিংস। ৮০ বলে ১০ চারে সাজিয়েছেন ইনিংসটি।
তামিম আউট হওয়ার পর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হক দ্রুত (১০) বিদায় নেন। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি মুশফিকুর রহিমও। রুবেল হোসেনের বলে ১১ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাজঘরে। দারুণ ব্যাটিংয়ে সাদমান অবশ্য তিন অঙ্কের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মোসাদ্দেক হোসেনের অফ স্পিনে ৮৩ রানে আউট হয়ে যান তিনি। ৯৯ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৮ চার ও ১ ছক্কায়। তার বিদায়ের পর বাকি কাজ অনায়াসে সেরেছেন ইয়াসির আলী (২৪) ও মোহাম্মদ মিঠুন (৩)।
ওটিস গিবসন একাদশের সবচেয়ে সফল বোলার নাঈম হাসান। তিনি ৪৯ রানে নেন ২ উইকেট। এছাড়া রুবেল ও মোসাদ্দেক নেন একটি করে উইকেট।
সোমবার প্রথম দিনে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়েছিল ৭২ ওভার, তাতে ওটিস গিবসন একাদশের সংগ্রহ ছিল ২৪৮। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন ইমরুল কায়েস। ৯৩ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ইমরুল তার ইনিংসটি সাজান। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ ১১৬ বলে ৫ চারের সাহায্যে খেলেন ৫৬ রানের ইনিংস।
রায়ান কুক একাদশের সেরা বোলার ছিলেন তাসকিন। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও ৩ উইকেট পেয়েছেন দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই পেসার।








