আজ (বুধবার) ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। পরাধীনতার শিকল ভেঙে মুক্তির আনন্দে মেতেছিল বাঙালি জাতি। বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দিনটি গভীর শ্রদ্ধায়-ভালোবাসায় স্মরণ করছে পুরো দেশ। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও স্মৃতিবিজরিত দিনে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগে জন্ম হয়েছে বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডের।
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টির ফাইনালে উঠেছে জেমকন খুলনা। তাদের ফাইনালে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মাশরাফি মুর্তজা। কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে ফাইনালের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে গুরুত্বপূর্ণ দিনে সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাবেক অধিনায়ক দেশের প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন ফেসবুক পোস্টে।
মাশরাফি লিখেছেন, ‘এটা আমার কাছে শুধু একটি পতাকাই না, আমার অস্তিত্ব আমার অনুভূতি, আমার ভালোবাসা। আমি মরেও বারবার চাইবো এ পতাকাতলে আসতে। আমি গর্বিত আমি একজন বাংলাদেশি। ৭১-এর সাহসী সব শহীদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।’
পোস্টের পরের অংশে ‘যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা’ দেশাত্মবোধক গানের লাইন লিখে সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাশরাফি।
শ্বশুরের অসুস্থতায় বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান। এই অলরাউন্ডার বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এভাবে, ‘১৬-ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। আজকের দিনেই বিশ্ব মানচিত্রে আমরা পেয়েছিলাম স্থান। পৃথিবী জেনেছিল আমাদের নতুন পরিচয়। বিজয় দিবসের এই মুহূর্তে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি পরম আরাধ্য এই বিজয় আনতে শেষ রক্তবিন্দুতে লড়ে যাওয়া প্রত্যেক সূর্যসন্তানকে। সবাইকে জানাচ্ছি মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।’
দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা প্রত্যেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন। মুশফিকুর রহিমের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে অনেক আগেই। দেশকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। তবু আজও যখন এক একটি রান নেন, গর্ব অনুভব করেন সেই প্রথম দিনের মতোই। কারণ তিনি গর্বিত বাংলাদেশি, ‘মাঠে আমরা জয় পাই। উৎসব করি। কিন্তু এটা সম্ভব হতো না যদি না এই দিনটা আসতো। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। আমি প্রতিটি বল মোকাবিলা করার সময়, রান নেওয়ার সময় গর্ববোধ করি কারণ আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। গর্ব নিয়ে নিজ দেশের পতাকা ওড়াতে পারি, বলতে পারি আমি গর্বিত বাংলাদেশি। মাতৃভূমির বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা। সব মুক্তিযোদ্ধাকে সশ্রদ্ধ সালাম।’
মহান মুক্তিযুদ্ধে যাদের আত্মত্যাগে এসেছে এই বিজয়, তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন মাহমুদউল্লাহ, ‘১৯৭১ সালের আজকের এ দিনেই লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ, এ দেশের মানুষ মুক্তি পায় পরাধীনতা থেকে। যাদের রক্তের বিনিময়ে, ত্যাগের বিনিময়ে আজ লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে পেরেছি তাদের সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।’
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদও, ‘যারা এই দিনটিকে সম্ভব করার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।’








