গ্রুপ পর্বে ৮ ম্যাচের একটিতে হেরে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে প্লে-অফ খেলেছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। কিন্তু প্লে-অফে এসেই সৌম্য-লিটন-মোস্তাফিজদের নিয়ে গড়া দলটি খোলসে ঢুকে যায়। প্রথম কোয়ালিফায়ারে খুলনার বিপক্ষে ৪৭ রানে হারে মোহাম্মদ মিঠুনরা। দ্বিতীয় সুযোগটি অবশ্য কাজে লাগিয়ে ঢাকাকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। কিন্তু শুক্রবারের ফাইনালে আবারও খুলনার কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয় তারা। অথচ গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচেই খুলনাকে উড়িয়ে দিয়েছিল চট্টগ্রাম। দুর্দান্ত খেলা সেই চট্টগ্রামের এমন হারে হতাশ অধিনায়ক মিঠুন।
খুলনার বিপক্ষে ফাইনালে ৫ রানের হারে ক্ষত-বিক্ষত মিঠুন। গোটা টুর্নামেন্টে ভালো খেললেও প্লে-অফ, বিশেষ করে ফাইনালে সেই চট্টগ্রামকে পাওয়া যায়নি। দলের হারের ব্যাখ্যায় সংবাদমাধ্যমকে মিঠুন বললেন, ‘পুরো টুর্নামেন্টে ছেলেরা ভালো খেলেছে। ফাইনালে আমরা নিজেদের মতো খেলতে পারিনি। বোলাররা ঠিকভাবে নিজেদের কাজটা করতে পারলেও ব্যাটসম্যানরা ঠিকভাবে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আমাদের টপ অর্ডার দারুণ টাচে ছিল। আমাদের মিডল অর্ডারও ভালো করেছে। আমরা যদি জুটি গড়তে পারতাম তাহলে কাজটা সহজ হতো।’
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বোলিংয়ে দাপট দেখিয়েছে চট্টগ্রামের দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম। মোস্তাফিজ ১০ ম্যাচে ২২ উইকেট, আর শরিফুল নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
এই দুই পেসারের প্রশংসা ঝরলো মিঠুনের কণ্ঠে, ‘পুরো টুর্নামেন্টেই তারা (মোস্তাফিজ-শরিফুল) দারুণ পারফরম্যান্স করেছে। শেষ ম্যাচেও তারা ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু ফলাফলটা আমাদের পক্ষে আসেনি।’








