দিনের তিন ঘণ্টাও ব্যাটিং করতে পারেননি বিসিবি একাদশের ব্যাটসম্যানরা। প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ বলেই ফিরে যান সাইফ হাসান। এদিন প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট হারায় বিসিবি একাদশ। এরপর রাকিম কর্নওয়াল ও জোমেল ওয়ারিক্যানের স্পিন ভেল্কিতে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বিসিবি একাদশ।
চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে চরম হতাশার ব্যাটিং করলো বিসিবি একাদশ। দুই সেশনও টিকতে পারেনি নুরুল হাসানের দল। কোনও উইকেট না হারিয়ে ২৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা বিসিবি একাদশ প্রথম সেশনেই হারায় ৪ উইকেট।
ডানহাতি অফ স্পিনার রাকিম কর্নওয়ালের ঘূর্ণি জাদুতে বিসিবি একাদশের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। ৫ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে রাখলেন দীর্ঘদেহী এই ক্রিকেটার।
এমএ আজিজের মরা উইকেটেও টার্ন পেয়েছেন ক্যারিবিয়ান স্পিনাররা। ধরে রেখেছিলেন নিখুঁত লাইন ও লেন্থ। তাতে এলোমেলো নাঈম, ইয়াসির, আকবর, জয়রা। প্রত্যেকেই সাজঘরে ফিরেছেন কর্নওয়ালের ঘূর্ণিতে। এই স্পিনারের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৩ উইকেট নিয়েছেন আরেক স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান। এমন বোলিংয়ের পর চট্টগ্রাম টেস্টে মুমিনুলের দলকে কর্নওয়াল-ওয়ারিক্যান জুটি বার্তা দিয়ে রাখলেন।
বিসিবি একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে নাঈম শেখের ব্যাট থেকে। এছাড়া নুরুল খেলেন ৩০ রানের ইনিংস। তামিমের সঙ্গী হিসেবে বিবেচিত হওয়া সাইফ (১৫) কিংবা সাদমান (২২) কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। আগের দিন ১৫ রান তুলে সাইফ দৃঢ়তা দেখালেও নতুন দিনে হাসেনি তার ব্যাট। দিনের পঞ্চম বলে কেমার রোচের বলে এলবিডাব্লিউয়ের শিকার তিনি। আর সাদমানের ব্যাটিং ছিল একেবারেই মন্থর। দেখেশুনে বল ছেড়েছেন। রান তুলতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি। তবে শেষ পর্যন্ত উইকেট উপহার দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি (২২)।
বিসিবি একাদশকে ১৬০ রানে অলআউট করে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করছে ক্যারিবীয়রা। দিন শেষে ৪৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সফরকারী দলের সংগ্রহ ১৭৯ রান। সব মিলিয়ে ২৭৬ রানে এগিয়ে ক্যারিবীয়রা।








