চট্টগ্রাম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চারদিন আধিপত্য বিস্তার করেও শেষ দিনে এসে হেরে গেছে বাংলাদেশ। মূলত অভিষিক্ত কাইল মায়ার্সের ঠাণ্ডা মাথার ২১০ রানের ইনিংসের কাছেই হেরেছে মুমিনুল হকরা। তবে বাংলাদেশ দল সেই হার ভুলে এখন ঢাকা টেস্টের দিকে তাকিয়ে।
বুধবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক বলেছেন, ‘অতীত যেটা চলে গেছে সেটা নিয়ে চিন্তা না করাই ভালো। সেখান থেকে যেগুলো ইতিবাচক জিনিস আছে, তা নিয়ে সামনে এগোতে চাই। এখন সবাই ইতিবাচক আছে। এখন কালকে আমরা ইতিবাচক ফলাফল করতে চাই।’
চট্টগ্রাম টেস্ট হেরে কতটা চাপে মুমিনুলরা? এমন প্রশ্নে দলের অধিনায়ক জানালেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নামলে চাপ থাকবেই। ওই হিসেবে তো চাপ আছেই। সুতরাং এসব নিয়ে ভেবে লাভ নেই। আমাদের জয়ের জন্য মাঠে নামতে হবে।’
চট্টগ্রামে বিশেষজ্ঞ তিন স্পিনারের সঙ্গে সাকিব ছিলেন। কিন্তু ঢাকা টেস্টে সাকিব ছিটকে গেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই সাকিবের জায়গায় স্পিনার নেওয়ার সুযোগ নেই। কেননা তার বদলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে সৌম্যকে। সবমিলিয়ে মুমিনুলের কাছে একাদশ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছেন, ‘আসলে কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করছে। উইকেট যদি ওরকম হয়, তিনটা পেস বোলার যদি না হয় তাহলে স্পিনার খেলানো হবে। কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করবে পেস অ্যাটাক হবে নাকি স্পিন অ্যাটাক।’
মুমিনুল আরও যোগ করে বলেছেন, ‘অবশ্যই পেসারদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। আর উইকেট দেখে আমরা কালকে সিদ্ধান্ত নিবো।’
সাকিবের ছিটকে যাওয়ার বাজে পরিস্থিতির সামনে বাংলাদেশ। এক অলরাউন্ডারকে হারিয়ে দুইজনকে খুঁজতে হচ্ছে, ‘সাকিব ভাই যেহেতু নেই, সে কারণে হয়তো দুইটা প্লেয়ার আমাকে যোগ করতে হবে। সেহিসেবে আমাদের দুইটা খেলোয়াড় নতুন করে খেলবে।’









