দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেও একই অবস্থা। প্রথম দিন লাঞ্চের আগে এসেছিল ১ উইকেট, দ্বিতীয় দিনেও তাই। ঢাকা টেস্টেও তাই স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতির আগে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১১৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২৫ রান।
এনক্রুমা বনার ৯০ রানে আউট হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের চাকা সচল রেখেছেন জোশুয়া দা সিলভা ও আলজারি জোসেফ। ইতিমধ্যে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেছেন দা সিলভা। তিনি প্রথম সেশন শেষ করেছেন ৭০ রানে অপরাজিত থেকে, আর জোসেফ অপরাজিত ৩৪ রানে।
দ্বিতীয় টেস্টে আরেকটি হতাশার সেশন কাটলো বাংলাদেশের। প্রথম দিনের শেষ সেশন আমলে নিলে সবশেষ দুই সেশনে মাত্র ২ উইকেট তুলতে পেরেছে স্বাগতিকরা। লাঞ্চ বিরতির আগে একমাত্র সাফল্য পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্যদিকে আগের দিনের ৫ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে ক্যারিবিয়ানরা ১ উইকেট হারিয়ে যোগ করেছে ১০২ রান।
বনারের সেঞ্চুরি স্বপ্ন ভেঙে দিলেন মিরাজ
ঢাকার টেস্টের প্রথম দিন উইকেটের জন্য ২১ ওভার অপেক্ষা করতে হয়েছিল। দ্বিতীয় দিনের শুরুও ভালো আভাস দিচ্ছিল না। যদিও অপেক্ষা খুব একটা দীর্ঘ হয়নি। দিনের ১২তম ওভারেই সাফল্য এসেছে মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ধরে।
ডানহাতি স্পিনার আউট করেছেন এনক্রুমা বনারকে। প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনের সকালেও বাংলাদেশের অস্বস্তি বাড়িয়ে যাচ্ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। অবশেষে তাকে থামিয়েছেন মিরাজ। বাংলাদেশ উৎসবে মাতালেও বড় আক্ষেপ নিয়ে ড্রেসিং রুমে গেছেন বনার। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও যে ৯০ রানে ফিরতে হয়েছে তাকে!
চট্টগ্রাম টেস্ট জয়ে ক্যারিবিয়ানদের নায়ক নিঃসন্দেহে কাইল মায়ার্স। তবে এই বনারের অবদানও কম ছিল না। অভিষেক টেস্টে ঠান্ডা মাথায় সময়োপযোগী ব্যাটিংয়ে খেলেছিলেন ৮৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরির আশা ভাঙার পর দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে আরও বেশি কষ্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। মিরাজ তাকে সেঞ্চুরি করতে দেননি। এই স্পিনারের বলে মোহাম্মদ মিঠুনকে ক্যাচ দিয়ে বনার প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে থাকতে। ২০৯ বলে খেলা ৯০ রানের ইনিংসটি ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান সাজান ৭ বাউন্ডারিতে। ফেরার আগে ষষ্ঠ উইকেটে জোশুয়া দা সিলভার সঙ্গে যোগ করেন ৮৮ রান।
বনারের বিদায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা সফরকারীদের স্কোর ছিল ১০৬ ওভারে ৬ উইকেটে ২৮২ রান।
টস জিতে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল ৫ উইকেটে ২২৩ রানে।








