ঢাকা টেস্টের দুই দিনই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও রয়েছে সফরকারীদের একাধিপত্য। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১০৫ রান। এখনও পিছিয়ে ৩০৪ রানে! এমন অবস্থায় তামিম ইকবাল মনে করেন, টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে বাকি ব্যাটসম্যানদের ১০০ থেকে ১৫০ রানের জুটি গড়তে হবে।
বাংলাদেশি বোলারদের অসহায় বানিয়ে প্রথম ইনিংসে ৪০০ প্লাস রান তুলেছে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। এর পর ৪০৯ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিবীয় বোলিং তোপে ৭১ রানে টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে মুশফিক-মিঠুন মিলে ৩৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেছেন। বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান বলতে বাকি আছেন মেহেদী হাসান ও লিটন দাস। দ্বিতীয় দিন শেষে টেস্টের যা অবস্থা, তাতে করে নিচের ব্যাটসম্যানদের দিকেই তাকিয়ে তামিম। দ্বিতীয় দিন ম্যাচ শেষে সংবাদ মাধ্যমকে তামিম বলেছেন, ‘আমরা যদি কালকে বড় পার্টনারশিপ করতে পারি, ১০০-১৫০ রানের জুটি গড়তে পারি, তাহলে আবার ম্যাচে ফিরতে পারবো।’
প্রথম ইনিংসে তামিম ভালো প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংসটাকে লম্বা করতে পারেননি। আলজারি জোসেফের বলে তালুবন্দি হয়ে ফিরেছেন ৪৪ রানে! নিজেদের ভুলে এমন উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসার নজির ছিল তার পরেও। তাতে হতশা ঝরেছে তামিমের কণ্ঠে, ‘প্রথমত উইকেট অসম্ভব ভালো ছিল। আমরা যখন ব্যাটিংয়ে নামি তখনও অনেক ভালো ছিল। যে চারটা উইকেট পড়েছে, তার কোনটাই ভালো কোন বল ছিল না। চারটি আউটের জন্যই ব্যাটসম্যানরা দায়ী। আজকে যদি আমাদের ২টা উইকেট কম পড়তো এবং এই রানটা থাকতো। তাহলে আমাদের অবস্থান আরও ভালো হতো। যেহেতু ৪টা উইকেট পড়ে গেছে, তাই বলতেই হবে ওরা ভালো অবস্থানে আছে।’
এখন তাই দ্বিতীয় দিন শেষে অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান মুশফিক ও মিঠুনের কাছে বড় জুটি আশা করছেন তামিম। তবে সেক্ষেত্রে শনিবার সকালের সেশনটা নিয়েই যত ভয় বাংলাদেশর সেরা এই ওপেনারের, ‘উইকেট এখনও পর্যন্ত খুব ভালো। যেটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ থাকবে কালকের প্রথম সেশনটা। আমরা যেন উইকেট না হারাই। কারণ এরই মধ্যে আমাদের ৪টা উইকেট পড়ে গেছে। এ পার্টনারশিপের ওপরেই অনেক কিছু নির্ভর করবে যে কেমন হবে ম্যাচটা। তাই এটাই আশা করতে পারি যে তাদের (মুশফিক-মিঠুন) একটা ভালো পার্টনারশিপ হবে।’









