২৩ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। যাওয়ার আগে ক্রিকেটারদের দেওয়া হবে করোনাভাইরাস টিকা। অবশ্য সেটি বাধ্যতামূলক নয়। কেউ নিতে না চাইলে জোর করবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোজা কথায়, টিকা নেওয়ার বিষয়টি ঐচ্ছিক রাখছে বিসিবি। ক্রিকেটাররা নিজেরাই নেবেন নিজেদের সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্তের বলে নিউজিল্যান্ড সফরে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের অন্তত ৫ জন টিকা নিতে আগ্রহী নন।
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে টিকা নেবেন নিউজিল্যান্ড সফরের দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা। যদিও সবাই টিকা নিচ্ছেন না। বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
‘টিকার জন্য আমরা একটা চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করেছি। নিউজিল্যান্ড সফর স্কোয়াডের ৫ থেকে ৭ জন ক্রিকেটার টিকা নিচ্ছেন না। বাকিরা নিচ্ছেন। যারা নিচ্ছেন না, তারা কেন নিচ্ছেন না, এটা এখন পর্যন্ত জানি না’—ক্রিকেটারদের টিকা নেওয়ার ব্যাপারে বলেছেন দেবাশিষ।
কোন কোন ক্রিকেটার নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার আগে টিকা নিতে রাজি নন, তাদের নাম অবশ্য গোপন রেখেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক।
বিসিবির তথ্যমতে, সিরিজের আগে দেওয়া হবে প্রথম ডোজ। আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে সিরিজ শেষে দেশে ফেরার পর। তবে টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও ক্রিকেটারকে বাধ্য করা হবে না। দুই দিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান নিজে টিকা নিতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন বিষয়টি, ‘ক্রিকেটারদের বেলায় টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। যে খুশি নিতে পারে। নিউজিল্যান্ড যেতে অনেকেই টিকা নিচ্ছে, কেউ কেউ নিচ্ছে না।’
কিউই সফরের সদস্যদের সঙ্গে বাইরে থাকা ক্রিকেটারদেরও তালিকা তৈরি করছে বিসিবি। তালিকা পুরোপুরি শেষ হলে তা পাঠানো হবে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সবার শরীরে টিকা প্রয়োগ করা হবে। বাংলা ট্রিবিউনকে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন তেমনটাই, ‘১৮ তারিখে (ফেব্রুয়ারি) আমরা শুধু জাতীয় দলের যারা নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছে, তাদের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছি। অন্য যারা আছে তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। পরে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।’
২৩ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে উড়াল দেবে বাংলাদেশ দল। এই সফরে কিউইদের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে তামিম-মাহমুদউল্লাহরা। নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তাদের। এরপর ২০ মার্চ ডানেডিনের প্রথম ওয়ানডে দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের মাঠের লড়াই।







