ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা এখনও ক্ষত হয়ে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনে। আবারও সেই ক্রাইস্টচার্চে যাওয়ার পর স্বভাবতই ফিরে এসেছে দুই বছর আগের দুঃসহ স্মৃতি। ২০১৯ সালের ঘটনা মনে ক্ষত তৈরি করে রাখলেও পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ড সরকারের পদক্ষেপগুলো ছিল প্রশংসনীয়। সে কারণেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে ধন্যবাদ দেবেন ওয়ানডে অধিায়ক তামিম ইকবাল।
একটুর জন্য রক্ষা পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। আর একটু আগে গাড়ি উঠলে কিংবা আরেকটু আগে মসজিদে পৌঁছালে ভয়ঙ্কর কিছু হতে পারতো। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বেঁচে গেলেও ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়্ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয় নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চে এক মসজিদের বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ করেছিল এক সন্ত্রাসী। ওই ঘটনার পর প্রথমবার নিউজিল্যান্ড সফরে গেছে বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে ওই ঘটনার প্রসঙ্গ সামনে এসেছে বাংলাদেশ দল কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হওয়ার পর।
২০১৯ সালের ১৫ মার্চ জুমার নামাজ চলাকালীন ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদ ও লিনউড ইসলামিক সেন্টারে এক সন্ত্রাসীর এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। যা নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক সন্ত্রাসবাদী হামলা। ওই হামলায় ৫০ জন নিহত হন ও আরও ৫০ জনের মতো গুরুতরভাবে আহত হন। ওই মসজিদেই জুমার নামাজ আদায় করার কথা ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। হামলার ভয়াবহতা স্বচক্ষে দেখে মসজিদের খুব কাছ থেকে ফিরে আসেন তামিম-মুশফিকরা।
সন্ত্রাসী হামলার পর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডেন বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। যদি কখনও দেখা হয়, তাহলে তামিমও ধন্যবাদ দেবেন তাকে।
দুই বছর আগের ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘এখানকার প্রধানমন্ত্রীর কথাও বলতে চাই। ওই কঠিন সময় তিনি যেভাবে সামলেছেন, বাংলাদেশের সবাই বাহবা দিয়েছে। তিনি দারুণ কাজ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে কখনও তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হলে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাবো।’








