ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক করেই পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন ইশান কিষাণ। তার ঝড়ো হাফসেঞ্চুরির কল্যাণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ৭ উইকেটে জিতেছে ভারত। তাতে ৫ ম্যাচের সিরিজে সমতাও ফিরেছে তার দল। জয়ের পর তাকেই কৃতিত্ব দিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
টস হেরে ইংল্যান্ডের ৬ উইকেটে করা ১৬৪ রানের পর ভারত শূন্য রানেই হারায় রাহুলের উইকেট। এর পর ম্যাচের হাল ধরেন কিষাণ ও কোহলি। জয়ের ভিত গড়ে কিষাণ ৩২ বলে ৫৬ রান করে ফিরলেও ৪৯ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন কোহলি। ৩ উইকেট হারিয়ে ভারত ম্যাচ জেতে ১৭.৫ ওভারেই। ম্যাচের পর তাই কিষাণের ভূমিকারই প্রশংসা ভারতীয় অধিনায়কের, ‘ইশান ওই মুহূর্তে যেভাবে ব্যাট করেছে সেটা কৃতিত্বের দাবিদার। ওই আসলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়েছে। আমরা শুরুতে বিনা রানেই উইকেট হারিয়েছিলাম। আমি আমার মতো চেষ্টা করেছি, কিন্তু ম্যাচটা ওই প্রতিপক্ষের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। অভিষেকে ওর ব্যাটিং ছিল মান সম্পন্ন।’
২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন কিষাণ। এর পর থেকে প্রতিভার জন্য আলোচনায় থাকলেও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে সুযোগ মিল ছিল না। বিশেষ করে কখন আক্রমণে যেতে হবে, কখন রক্ষণাত্মক খেলতে হবে। এমনকি শৃঙ্খলা নিয়েও ছিল সমস্যা। কিন্তু সেই কিষাণই ২৮ বলে ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি তুলে নিখাদ হওয়ার উদাহরণ রাখলেন।
তার খেলার মানসিকতা নিয়ে কোহলি অবশ্য ইতিবাচক কথাই বলেছেন, ‘ওর মাঝে কোনও ভয়ডর নেই। ওর আসলে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই খেলা উচিত। আমাদের মাঝে তখন কথা হয়েছিল। কিষাণ তখন ভালোই বুঝতে পারছিল যে ও বল মেরে খেলছিল। কিন্তু সে খেলাটাকে বিশ্লেষণ করেছিল অত্যন্ত চৌকষ ভাবে। পাশাপাশি সে ছিল হিসেবি, কিন্তু বেপরোয়া নয়।’
ম্যাচ তাড়ায় কোহলি-কিষাণ জুটিতেই ৫৪ বলে আসে ৯৪ রান। যা ছিল জয়ের মূল ভিত। তাই দলে কিষাণের মতো কাউন্টার অ্যাটাকিং ইনিস প্রয়োজন বলে মনে করেন কোহলি, ‘আমার মনে হয় ওর কাউন্টার অ্যাটাকিং ইনিংস ও আমাদের মতো জুটি দলের প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনের সময়ই কিষাণ পাশে দাঁড়িয়েছে।’









