সিরিজ শুরুর আগে তামিম ইকবালরা একটি কথাই বলে আসছিল। সেটি হলো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে হারের ইতিহাস বদলাতে উন্মুখ তারা। যদিও ওয়ানডে সিরিজে এর বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। হেরেছে তিন ম্যাচেই। এই পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজছেন তামিম।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সতীর্থদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা কোচ থাকতেই পারে। কিন্তু খেলোয়াড়দের একটি বিষয় অবশ্যই জানতে হবে, সেটি হলো কখন কী করতে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারা। আমরা বিদেশের মাটিতে কখনও ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে ধারাবাহিক ছিলাম না।কিন্তু এই সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে হবে।’
প্রথম ওয়ানডেতে ডানেডিনে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য সেটি কাটিয়ে ওঠা গেছে টপ অর্ডারের ভূমিকায়। কিন্তু ওয়েলিংটনে এসে সেই ব্যটিং ব্যর্থতাই কাল হয়ে দাঁড়ালো আবার। তামিমরা শেষ ওয়ানডে হেরেছে ১৬৪ রানের বড় ব্যবধানে। ৩১৯ রানের লক্ষ্যে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে মাত্র ১৫৪-তে। তামিম অবশ্য স্বীকার করলেন, নিউজিল্যান্ডে শুধু মাত্র উন্নতির জন্য আসেননি তারা, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি শুধু উন্নতির জন্য নিউজিল্যান্ডে আসিনি। এখানে ম্যাচ জেতার জন্যই এসেছি। এখন আর ওয়ানডের ম্যাচগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়। সব কিছু হয়ে গেছে পয়েন্ট ভিত্তিক। জিতলে পয়েন্ট মিলবে, পরে সেটি বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকেও সহজ করে দেবে।’
এখানে উল্লেখ্য যে, এতদিন ওয়ানডে সুপার লিগে পাঁচ ম্যাচে তিন জয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দুই নম্বরে। এই ম্যাচে জয়ের দেখা পেলে জায়গাটি আরও পাকাপোক্ত হতো। কিন্তু এই সিরিজে টানা তিন ম্যাচ হেরে যাওয়ায় সেটিতো আর হলোই না। উল্টো রান রেটে পিছিয়ে বাংলাদেশ নেমে গেছে পাঁচ নম্বরে। আর তিন ম্যাচ জিতে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় দুই নম্বরে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। ৩ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৩০। পাঁচে থাকা বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট।









