মাত্র ১০ ওভারের ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা প্রত্যেকটি বল সীমানা ছাড়া করতে চাইবেন। তারা সেটি করছেনও। আর তাদের সেই চেষ্টায় বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ‘প্রচেষ্টা’ অব্যাহত রয়েছে! অকল্যান্ডেও ক্যাচ মিসের মহড়া চলছে বাংলাদেশের। অন্যদিকে চার-ছক্কায় বৃষ্টিতে ভাসাচ্ছেন কিউই ব্যাটসম্যানরা।
দুই হাতের ফাঁক গলে বল বেরিয়ে গেছে রুবেল হোসেনের কাছ থেকে। বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার হিসেবে পরিচিত মোসাদ্দেক হোসেনও নাম তুলেছেন ক্যাচ মিসের তালিকায়। আর সৌম্য সরকার দৌড়ে এসেও কেন বল তালুতে নিতে পারলেন না, সেটি সত্যিই যন্ত্রণাদায়ক।
বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসে নতুন জীবন পেয়ে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছেন কিউই ব্যাটসম্যানরা। এমনিতেই শুরু থেকে তাণ্ডব চালিয়েছেন দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও ফিল অ্যালেন। অনেক চেষ্টার পর বিধ্বংসী গাপটিলকে ফেরাতে পেরেছে সফরকারীরা। মেহেদী হাসানের বলে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ার আগে ১৯ বলে ৪৪ রান করেছেন তিনি। ঝড়ো ইনিংসটি কিউই ওপেনার সাজান ১ চার ও ৫ ছক্কায়।
ওয়ান ডাউনে নামা গ্লেন ফিলিপস অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি। শাপমোচন করেছেন সৌম্য। এই ব্যাটসম্যানের ক্যাচটি তালুবন্দী করেছেন তিনি। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ফিলিপস করেছেন ৬ বলে ২ ছক্কায় ১৪ রান।
তার বিদায়ের পর নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৯ ওভারে ২ উইকেটে ১৩১ রান।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত, নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার, লিটন দাস (অধিনায়ক/উইকেটকিপার), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, নাসুম আহমেদ।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: মার্টিন গাপটিল, ফিন অ্যালেন, ডেভন কনওয়ে (উইকেটকিপার), উইল ইয়াং, গ্লেন ফিলিপস, মার্ক চ্যাপম্যান, ড্যারিল মিচেল, টিম সাউদি (অধিনায়ক), অ্যাডাম মিলনে, টড অ্যাস্টল, লকি ফার্গুসন।









