শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দলীয় রান যখন ৫২, তামিম তখন ৫০। অর্থাৎ, দলের সঙ্গে নিজেও হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন বাঁহাতি ওপেনার। তার এই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১৩১ বছর আগের এক ম্যাচ ফিরে এসেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যান্ডি টেস্টে।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ড্র হওয়ার আগে তামিম খেলেছেন অপরাজিত ৭৪ রানের ইনিংস। এই ইনিংস খেলার পথেই অন্যরকম এক কীর্তি গড়েছেন বাঁহাতি ওপেনার। রবিবার মাত্র ৫৬ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন তামিম। তিনি যখন ফিফটি করেন, বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৫২ রান। দলের রান ও তামিমের হাফসেঞ্চুরির ব্যবধান ছিল মাত্র ২ রানে। আর তাতেই ১৩১ বছর আগের এক ম্যাচ ফিরে আসে।
১৮৯০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলীয় ৫৫ রানের সময় নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান জন জেমস লায়েন্স। অর্থাৎ, ফিফটি পূরণের সময় দলের সঙ্গে লায়েন্সের ব্যবধান ছিল ৫ রানের। ব্যবধান হিসাব করলে লায়েন্সের চেয়ে দ্রুততম তামিম। ২০১৪ সালে লায়েন্সের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন ইউনিভার্স বস।
ক্যান্ডি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ২৭ রানে ২ উইকেট হারানো দলকে ঠিক পথে রাখেন তামিম। সাইফ হাসান ১ ও নাজমুল হোসেন শান্ত শূন্য রানে আউট হলে ক্রিজে নামেন মুমিনুল হক। তাকে সঙ্গে নিয়ে বৃষ্টি নামার আগপর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান তামিম। আগের ইনিংসে ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে বৃষ্টির বাধায় সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে এই ওপেনারকে।
শেষ পর্যন্ত ৭৪ রান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তামিমকে। ৯৮ বলে ১০ চার ও ৩ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। বৃষ্টির কারণে শেষ ঘণ্টায় একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। বাটিং-বান্ধব উইকেটে নিষ্প্রাণ ড্রতে শেষ হয়েছে ক্যান্ডি টেস্ট।









