ভারতের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যাত্রা। কিন্তু ভারতের পর পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ মিলিয়ে ৫ টেস্টের সবক’টিতে বাজেভাবে হেরেছে মুমিনুল হকরা। এমনকি টেস্ট আঙিনার নতুন সদস্য আফগানিস্তানের কাছেও হারতে হয়েছিল বিশাল ব্যবধানে। এমন অবস্থায় ক্যান্ডি টেস্ট ড্র নিশ্চিতভাবেই মুমিনুলদের স্বস্তি দিচ্ছে।
আর সেটা ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েও গেছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক, ‘আমরা গত হোম সিরিজ-অ্যাওয়ে সিরিজে উল্লেখ করার মতো কোনও রেজাল্ট করতে পারিনি। একটা হোম সিরিজ হারের পর বিদেশে টেস্ট ড্র করতে পারা আমার কাছে মনে হয় ভালো একটা দিক।’
ক্যান্ডির ব্যাটিং-বান্ধব উইকেটে ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় প্রথম টেস্টটি ড্র হয়েছে। যেহেতু একই ভেন্যুতে ২৯ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু, তাই টানা হারের বৃত্তে থাকা বাংলাদেশকে এই ড্রও আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। মুমিনুলের ভাষায়, ‘দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্যই সবার ভেতরে আত্মবিশ্বাস থাকবে। সবাই দলগতভাবে খেলেছে। বাংলাদেশ যখনই দলগতভাবে খেলতে পারে, তখনই ভালো অবস্থায় থাকে।’
শ্রীলঙ্কায় দীর্ঘদিন পর টপ অর্ডার একসঙ্গে ‘ক্লিক’ করেছে। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৪১ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলতেই ড্র হয় ম্যাচ। প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ভালো হওয়ার পরও মুমিনুলের মনোযোগটা এখানেই, ‘উন্নতির তো শেষ নেই। আমার কাছে মনে হয়, তিনটা বিভাগেই উন্নতির জায়গা আছে। নির্দিষ্ট করে বললে ব্যাটিংয়েও উন্নতি করতে হবে। স্পিনাররাও ভালো করেছে। হয়তো পেস বোলিং আরও উন্নতি করতে হবে নতুন বলে। আমার কাছে মনে হয়, ব্যাটিং আমাদের মূল শক্তি। কাজেই ব্যাটিংয়ে উন্নতি করতে হবে।’
টেস্ট ক্যারিয়ারের ৮ বছর পর বিদেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুমিনুল। নিজের এই অর্জন নিয়ে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘আমি যখনই বাংলাদেশ দলে খেলি, চেষ্টা করি দলের হয়ে অবদান রাখার। বিদেশে এসে ওইভাবে হয়তো বড় করে অবদান রাখা হয়নি। আল্লাহর রহমতে এবার কিছুটা অবদান রাখতে পেরে খুশি। এমনিতেই অধিনায়ক হিসেবে আমার অবদান রাখাটা জরুরি।’









