প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দেওয়া ২৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়েছে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। এমন অবস্থাতেও লঙ্কানদের আশা জাগিয়ে রেখেছেন অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। লঙ্কানরা ৪০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করেছে ১৯১ রান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও একপ্রান্ত আগলে হাত খুলে খেলছেন এই ব্যাটসম্যান।
বাংলাদেশের তুলনায় আত্মবিশ্বাসী সূচনা ছিল শ্রীলঙ্কার। স্বাগতিকদের দেওয়া ২৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫ ওভারে তারা তুলে ফেলেছিল ৩০ রান। কিন্তু লঙ্কানদের আত্মবিশ্বাসী সূচনায় আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোস্তাফিজুর রহমান।
মেহেদী মিরাজ শুরুতে সাফল্য পাননি যদিও। শুরুতে মেরে খেলার দিকে মনোযোগী ছিলেন ওপেনার গুনাথিলাকা। ১৯ বলে ৫টি চারে ২১ রান তুলেছিলেন। অধিনায়ক কুশল পেরেরা অবশ্য ধীরে চলো নীতিতে খেলতে থাকেন। আক্রমণাত্মক গুনাথিলাকা শেষ পর্যন্ত মেরে খেলতে গিয়েই বিপদ ডেকে আনেন পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। মিরাজের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে লঙ্কান ওপেনার ফেরেন ২১ রানে।
এরপর বল করতে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে বোলিংয়ে নেমে উইকেটও তুলে নেন কাটার মাস্টার। নিসাঙ্কাকে আফিফের ক্যাচ বানান তিনি।
তাৎক্ষণিক দুই উইকেট পড়ে যাওয়ায় লঙ্কানদের এগিয়ে নিচ্ছিলেন ওপেনার কুশল পেরেরা ও কুশল মেন্ডিস। ৪১ রান তুলে ফেলেছিল এই জুটি। মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ানো জুটিটিই ভেঙেছেন সাকিব। ১৯তম ওভারে তালুবন্দি করান মেন্ডিসকে (২৪)। অবশ্য নিজের প্রথম ওভারেই পেরেরাকে ফেরানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তার বলে ক্যাচ উঠলেও সেটি পড়েছিল কিঞ্চিত বাইরে।
তবে সাকিব না পারলেও বিপজ্জনক পেরেরাকে পরে ঠিকই ফিরিয়েছেন মিরাজ। ৩০ রান করা লঙ্কান অধিনায়ককে বোল্ড করেছেন তিনি। এক ওভার বিরতি দিয়ে আবারও আঘাত হানেন এই অফস্পিনার। ফেরান ৯ রান করা ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে। মিরাজের ঘূর্ণিতে বল প্যাডে লেগে আঘাত করে স্টাম্পে। এরপর আশেন বান্দারাকে বোল্ড করে লঙ্কানদের সর্বনাশ ডেকে আনেন তিনি।
তবে কঠিন বিপদের মাঝে থেকেও ঝড়ো গতিতে ব্যাট চালিয়ে লঙ্কানদের আশা জাগিয়ে রেখেছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। দাসুন শানাকা তাকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দিলেও সাইফের বলে বোল্ড হয়েছেন ১৪ রানে। আর ৩০ বলে ঝড়ো ফিফটি তুলে এখনও ব্যাট করছেন হাসারাঙ্গা। সঙ্গে আছেন ইসুরু উদান (১১)।
এর আগে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করে স্বাগতিকরা ৬ উইকেট হারিয়ে করেছে ২৫৭ রান। সবচেয়ে বড় জুটিই গড়েছেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। ১০৯ রানের জুটি গড়েন দুজন। মুশফিক খেলেছেন ৮৪ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস।









