এতদিন এককভাবে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে মাশরাফির পাশে বসেছেন সাকিব আল হাসান। একই ম্যাচে পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরামকেও ছুঁয়েছেন সাকিব। নির্দিষ্ট ভেন্যুতে শীর্ষ উইকেট শিকারি ছিলেন আকরাম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১২২ উইকেট নিয়ে সাবেক এই ক্রিকেটারদেরও ধরে ফেলেছেন সাকিব।
২১৮ ম্যাচে ২৬৯ উইকেট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট ছিল মাশরাফির। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে সাবেক এই অধিনায়ককে টপকাতে সাকিবের প্রয়োজন ছিল ৪ উইকেট। রবিবার প্রথম ম্যাচে ১ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে নিয়েছেন ২ উইকেট। মাশরাফিকে টপকাতে না পারলেও মঙ্গলবার ধনাঞ্জয় ডি সিলভাকে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ছুঁয়েছেন ঠিকই।
২১১ ম্যাচে সাকিবের উইকেট ২৬৯। মঙ্গলবার ৩৮ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট। ক্যারিয়ারে দুইবার নিয়েছেন ৫ উইকেট। সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৯ রানে ৫ উইকেট, তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার।
মাশরাফিকে ছোঁয়ার দিনে আরেকটি রেকর্ড স্পর্শ করেছেন সাকিব। একটি নির্দিষ্ট ভেন্যুতে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন ওয়াসিম আকরাম। শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭৭ ম্যাচে পেয়েছিলেন ১২২ উইকেট। পাকিস্তান কিংবদন্তির চেয়ে সাত ম্যাচ বেশি খেলে তাকে ছুঁয়ে ফেললেন সাকিব। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাকিবের উইকেট সংখ্যা এখন ১২২টি।
১১৪ উইকেট নিয়ে এই তালিকার তিন নম্বরে আছেন ওয়াকার ইউনুস। মাশরাফি শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ৯৪ উইকেট নিয়ে আছেন তালিকার ৪ নম্বরে।
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ২০৭ উইকেটের মালিক জাতীয় দলের সাবেক স্পিনার ও বর্তমান নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে আর কারোরই নেই ২০০ উইকেট। রুবেল হোসেন ১২৯ উইকেট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। পাঁচ নম্বরে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। মাত্র ৬৬ ম্যাচে বাঁহাতি পেসারের উইকেট সংখ্যা ১২২।







