প্রাইম ব্যাংকের কাছে প্রথম ম্যাচ হেরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ে ফিরলো তারা। শেখ জামালের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য মাহমুদউল্লাহ-মুমিনুল হকের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে গাজী গ্রুপ। ব্যাট-বল হাতে মাহমুদউল্লাহ আলো ছড়ালেও আবারও ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য সরকার।
আজ (বুধবার) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে শেখ জামাল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রানের ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ৩৫ বলে ৪ ছয়ে তিনি তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
সৈকত আলী ৩০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। নাসির হোসেনও ভালো শুরু করেছিলেন, কিন্তু মাহমুদউল্লাহর ঘূর্ণির সামনে আত্মসমর্পণ করতে হয় নাসিরকে। ১৩ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রান করেন নাসির।
গাজী গ্রুপের সবচেয়ে সফল বোলার মাহমুদউল্লাহ। ২৩ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। এছাড়া নাসুম, সৌম্য ও আরিফুল নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
১৫২ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪০ রানে দুই ওপেনারকে হারায় গাজী গ্রুপ। ব্যাট হাতে কঠিন সময় কাটানো সৌম্য এই ম্যাচেও হয়েছেন ব্যর্থ। আগের ম্যাচে ১৪ রানে আউট হওয়ার পর বুধবার ১৩ রান করে বাজে শটে আউট হয়েছেন তিনি।
এনামুল হকের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মারার পরের বলটি রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। চতুর্থ বলটি ছিল ঠিক একই রকমের, এবারও রিভার্স সুইপ খেলে বলের লাইন মিস করেন। কিন্তু এবার আর স্টাম্প মিস করেনি এনামুলের বলটি। ১১ বলে ২ চারে ১৩ রান করে বিদায় নেন সৌম্য।
তবে তার বিদায় প্রভাব ফেলতে পারেনি গাজীর জয়ে। তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহ মিলে যোগ করেন ৯৭ রান। মুমিনুল ৩৬ বলে ৮ চারে ৫৪ রান করে আউট হন। মুমিনুলের আউট হওয়ার পর বাকি কাজটা জাকির হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে শেষ করেন মাহমুদউল্লাহ। ৫১ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। জাকিরের ৪ বলে ১ ছক্কায় ১০ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাহমুদউল্লাহরা।
শেখ জামালের বোলারদের মধ্যে এনামুল ২১ রান খরচায় দুটি উইকেট নেন। এছাড়া সালাউদ্দিন শাকিল নেন বাকি উইকেটটি।








