ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আবাহনী। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনীর দেওয়া ১৩৬ রান তাড়া করতে নেমে ১১৩ রানেই থেমে যায় ওল্ড ডিওএইচএসের ইনিংস। তাতে আবাহনী জয় পায় ২৩ রানে।
১৩৬ রানের ছোটখাটো লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল ওল্ড ডিওএইচএস। আনিসুল ইসলাম ইমন ও সাবেক ক্রিকেটার নাসির উদ্দিন আহমেদের ছেলে রাকিন আহমেদ ৫৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের স্লো ব্যাটিংয়ের খেসারত দিতে হয় দলকে। আনিসুল ২৭ বলে আউট হন ২০ রান করে। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রাকিন খেলেছেন ৪৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ৪৩ রানের ইনিংস। রূপগঞ্জের সঙ্গে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলেছিলেন ৪৮ রানের ইনিংস।
দুই ওপেনারের দারুণ শুরুর পরও মাহমুদুল হাসান জয় (১৫), মোহাইমিনুল (১০*) ও রায়হান রহমান (১৯*) দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ১৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রানে থামে ওল্ড ডিওএইচএস।
বল হাতে সাইফউদ্দিন নিয়েছেন একটি উইকেট। এছাড়া শহিদুল ইসলাম ও আরাফাত সানি একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া আবাহনী বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নির্ধারিত ১৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছে।
অথচ নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, সাইফউদ্দিন ও মোসাদ্দেকদের নিয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে আবাহনী। কিন্তু এদিন ব্যর্থ দিন কাটিয়েছেন নাঈম, নাজমুল, মুশফিক ও মোসাদ্দেকদ। এর ফলে বেশি সংগ্রহ করতে পারেনি আবাহনী।
১০ ওভারে ৭২ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় তারা। তখন ত্রাতার ভূমিকায় অবর্তীণ হন সাইফউদ্দিন।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনের ১৯ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস এবং আফিফের ২৯ বলে ২৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসের কল্যাণে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ঐতিহ্যবাহী আবাহনী। ১৯ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪০ রানের ইনিংস খেলে আউট হন সাইফ। অন্যদিকে ২ চারে ২৯ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ।
ম্যাচে আগের মতোই ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন শান্ত। প্রথম ম্যাচে ২ রান করা শান্ত আজকে করেছেন ১১ রান!
এদিকে পারটেক্সের বিপক্ষে জয়ের নায়ক মুশফিক আজকে ৬ রান করে বোল্ড হয়েছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী অলরাউন্ডার রাকিবুল হাসানের বলে। ওপেনার নাঈম শেখের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ২৩ রান।
ওল্ড ডিওএইচএসের বোলারদের মধ্যে যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের স্পিনিং অলরাউন্ডার দলের সফল বোলার ছিলেন। ৩ ওভারে ১০ রান খরচায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া দুটি উইকেট নিয়েছেন মোহাইমিনুল খান।









