নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পর থেকে সহজাত ব্যাটিংটা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানের। ঢাকা লিগে সাত ম্যাচ খেলেও এখন পর্যন্ত একটি হাফসেঞ্চুরি পাননি তিনি। আজ (শুক্রবার) চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডানের এই ক্রিকেটার আগের ম্যাচগুলোকে ছাড়িয়ে গেলেও বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে এসেছেন। ৩৭ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে অবশ্য চলতি লিগে সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়েছেন ঠিকই।
শাইনপুকুরের বিপক্ষে মোহামেডানের জয়ের পথে ২৯ রান করে রেখেছিলেন অবদান। দ্বিতীয় ম্যাচে ‘গোল্ডেন ডাক’! এরপর প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ২০ রান। পরের দুই ম্যাচে দুই হার মোহামেডানের। দুই ম্যাচেই ‘ফ্লপ’ সাকিব। শেখ জামালের বিপক্ষে ২ ও প্রাইম দোশ্বেরের বিপক্ষে ২২ রান করেন। রূপগঞ্জ ম্যাচেও শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে আশা ছিল বড় ইনিংস খেলবেন। ‘বিগ’ ম্যাচে ‘বিগ’ ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি, ৩৭ রানে ফিরে গেছেন সাজঘরে।
৩৫ রানে মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন সাকিব। মোসাদ্দেক হোসেন ক্যাচটি নিতে পারেননি। তবে এই ক্যাচ মিসে ভুগতে হয়নি আবাহনীকে। পরের বলেই অবশ্য ফিরে যান সাকিব। সাইফউদ্দিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি খেলতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দেন সাকিব। এবার আর ভুল করেননি আবাহনীর ফিল্ডার আরাফাত সানি। ক্যাচটি লুফে নিয়ে সাকিবকে বিদায় করেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। সব মিলিয়ে এবারের লিগে ৭ ম্যাচে মাত্র ১১০ রান করেছেন তিনি। ব্যাটিং গড় মাত্র ১৫.৭১। লিগের আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডেতে রান ছিল ১৫, ০ ও ৪।
সাকিব ও মাহমুদুল হাসানের (৩০) ব্যাটিংয়ে মোহামেডান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করেছে। এই রানে জিততে গেলে মোহামেডানকে পুরনো ইতিহাস পাল্টাতে হবে। ২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে ২০১৮-১৯ মৌসুম পর্যন্ত ২০টি ম্যাচ খেলেছে দুই দল। সব ম্যাচেই আধিপত্য বিস্তার করেছে আবাহনী। মোহামেডানের ৫ জয়ের বিপরীতে আবাহনীর জয় ১৫টিতে। মোহামেডান সর্বশেষ জিতেছিল ২০১৫-১৬ মৌসুমে।








