ড্যানিয়েল ভেট্টরি ও জন লুইস অধ্যায় শেষ হওয়ার পর সাকিব-তামিমদের নতুন কোচ হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন রঙ্গনা হেরাথ ও অ্যাশওয়েল প্রিন্স। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত হেরাথের সঙ্গে চুক্তি করলেও প্রিন্সের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে জিম্বাবুয়ে সিরিজ পর্যন্ত। তবে তার পারফরম্যান্স ভালো হলে চুক্তি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অন্য ‘বিকল্প’ বাদ দিয়ে কেন হেরাথ-প্রিন্সকে বেছে নিলো বিসিবি, সেই প্রশ্নের উত্তর শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দিয়েছেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান।
দায়িত্ব পাওয়া প্রিন্স তিন ফরম্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৯ ম্যাচ খেলেছেন। ৪৪ বছর বয়সী সাবেক প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানও কোচিং লেভেলের থ্রি শেষ করেছেন। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ব্যাটিং পরামর্শক এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। মূলত বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর পরামর্শেই প্রিন্সকে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি।
প্রিন্সকে নিয়োগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় আকরামের বক্তব্য, ‘আমাদের ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, দক্ষিণ আফ্রিকান। খেলোয়াড় হিসেবে তার খ্যাতি অনেক ভালো। একই সঙ্গে কোচের (রাসেল ডমিঙ্গো) সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমরা ওকে নিয়েছি। কোচ ওকে খুব হাইলি র্যাঙ্ক করেছে। ওকে আমরা এই সিরিজটার জন্য নিয়েছি। এই সিরিজের পারফরম্যান্সের পর আমরা ভবিষ্যতে চুক্তি বাড়াবো কিনা, সেটি নিয়ে চিন্তা করবো।’
অন্যদিকে স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া হেরাথ ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। দুই দশক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দাপিয়ে বেড়ানোর পর কোচিংয়ে মনোযোগী হন তিনি। আইসিসি ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের লেভেল থ্রি অধ্যায় শেষ করেছেন। বিশেষত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন স্পিন বোলিংয়ের ওপর। তার ব্যাপারে আকরাম বলেছেন, ‘স্পিন কোচ হিসেবে হেরাথকে আমরা বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়েছি। ওদের পারফরম্যান্স দেখে যদি পছন্দ হয়, আমরা লম্বা সময়ের জন্য যাব।’
তবে আগের সব নিয়োগের মতো এই দুই কোচকে নিয়োগ দেয়নি বিসিবি। মূলত করোনার কারণেই এমনটা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক, ‘এই দুই কোচের ক্ষেত্রে কিন্তু ওই রকম মতামত আমরা নিইনি। কারণ, কোভিডের জন্য কোচ নেওয়া খুব কঠিন। কোচরা কিন্তু অ্যাভেইলেবল নয়। সব দিক থেকে চিন্তা-ভাবনা করে আমরা শর্ট টাইমের জন্য নিয়েছি। যদি ওরা ভালো করে, তাদের দিয়েই চালিয়ে নেওয়া হবে।’









