টেস্ট ক্যারিয়ারে এই নিয়ে দুবার নার্ভাস নাইনটির শিকার হয়েছেন লিটন দাস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ৯৪ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। এবার আউট হলেন ৯৫ রানে। পুরো ইনিংসে দুর্দান্ত খেলতে থাকা লিটন শেষ বিকালে কেনইবা ওমন একটি শট খেলে আউট হলেন-এমন প্রশ্ন উঠছে। সদ্যই নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ অ্যাসওয়েল প্রিন্স জানালেন মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটার কারণেই দ্রুত আউট হন লিটন। তবে আজ লিটনের আউটকে দুর্ভাগ্য হিসেবে দেখছেন তিনি।
শেষ সেশনে মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে লিটন ১৩৮ রানের জুটি গড়েন। এই জুটিতেই স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু তিরিপানোর বল ফাইন লেগে খেলতে গিয়ে ভিক্তর নিয়াউচির তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন। আউট হওয়ার আগে ১৪৭ বলে ১৩ চারে খেলেন ৯৫ রানের ইনিংস।
গত কিছুদিন ধরেই অফ-ফর্মে ছিলেন লিটন। বিষয়টি নিয়ে কোচের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। যার ফলও পেয়েছেন হাতেনাতে! ৯৫ রানের ইনিংস খেলা লিটনের প্রশংসা করতে গিয়ে এই ব্যাটিং কোচ বলেছেন, ‘আমি মাত্র সপ্তাহখানেক এই দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমি মনে করি দলে খুব স্কিলফুল কিছু ক্রিকেটার আছে। লিটন তাদের একজন। ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, সে আমাকে বলেছে যে ৩০-৪০ রানে থাকার সময় সে উইকেট ছুঁড়ে আসে, মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলে। আমি তাকে বলেছি তুমি যদি তিন ঘণ্টা ব্যাটিং কর, কত রান বা অন্য কিছু ভুলে থাকো তাহলে দেখবে সেঞ্চুরির কাছে চলে গেছো। এমনকি আজ সে যখন ব্যাটিং করছিল আমি ঘড়ি দেখছিলাম। সে আজ তিন ঘণ্টার কিছু বেশি ক্রিজে ছিল, দুর্ভাগ্য যে সে সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও সুযোগ হারালো। কিন্তু এখান থেকে সে ভাল কিছু শিখবে।’
দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর মুমিনুলের ইনিংসের ওপর ভর করে প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে উঠার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। ৭০ রানের ইনিংস খেলা মুমিনুলের এমন ভূমিকায় দারুণ খুশি ব্যাটিং কোচ, ‘মুমিনুল যেভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে তা দারুণ ছিল। শান্ত ভাবেই সে দলকে এগিয়ে নিয়েছে। তার এই শান্ত থাকাটা বা ক্রিজে তার অবস্থান ড্রেসিংরুমে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। যে কোনও ব্যাটসম্যানের এমন বডি ল্যাঙ্গুয়েজে থাকলে তাকে দেখে বাকিরা অনুপ্রাণিত হবে।’









