হারারেতে দ্বিতীয় সেশনেও জিম্বাবুয়ের প্রতিরোধ ভাঙা যাচ্ছিল না। তবে প্রথম সেশনের মতো অত অপেক্ষা করতে হয়নি। বাংলাদেশকে আবার উইকেট আনন্দে মাতিয়েছেন সাকিব আল হাসান ও পেসার তাসকিন আহমেদ।
সাকিবের দুই উইকেট ও তাসকিনের এক শিকারে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৪ রান নিয়ে চা পানের বিরতিতে গেছে স্বাগতিকরা। জিম্বাবুয়ে এখনও পিছিয়ে ২২৪ রানে। কাইতানো অবশ্য ক্রিজে জমে আছেন এখনও। ব্যাট করছেন ৮২ রানে। তার সঙ্গী হয়েছেন রেজিস চাকাভা (১০)।
টেলর উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার পর আবারও ধৈর্য পরীক্ষা নিতে থাকে জিম্বাবুইয়ানরা। অভিষিক্ত কাইতানোর সঙ্গে জুটি গড়তে থাকেন আরেক অভিষিক্ত ডিওন মায়ার্স। ৪৯ রান করা এই জুটিই ভেঙে দিয়েছেন সাকিব। উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিরাজের তালুবন্দি হন মায়ার্স (২৭)।
ব্যাট হাতে হতাশ করা সাকিব ঝলসে উঠেন তাতে। নতুন বল নেওয়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান টিমিসেন মারুমাকেও আর থিতু হতে দেননি। লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে তুলে নেন আরেকটি উইকেট। ১৭ বল খেলা মারুমা বিদায় নেন রানের খাতা খোলবার আগেই।
পরে তো ভালো লেন্থের বলে নতুন নামা রয় কায়াকেও পরাস্ত করেন তাসকিন। অফস্টাম্পে পড়া বল খোঁচা মারতে গিয়ে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হয়েছেন কায়া (০)। যা ছিল তাসকিনের ইনিংসের প্রথম উইকেট।
দ্বিতীয় দিনের শেষভাগে প্রভাব বিস্তারের পর আজও (শুক্রবার) দাপট দেখাতে থাকেন স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। অনেক চেষ্টার পর ব্রেন্ডন টেলরকে ফেরানো গেছে, তবে সেটা ছিল জিম্বাবুয়ে অধিনায়কের ‘উপহার’। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা টেলর। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে টেলর ৯২ বলে খেলে যান ৮১ রানের ঝলমলে ইনিংস, যাতে ছিল ১২ বাউন্ডারির সঙ্গে ১ ছক্কার মার।
তৃতীয় দিনের লাঞ্চে যাওয়ার আগে দারুণ সময় কাটানো জিম্বাবুয়ের স্কোর ছিল ৬৭ ওভারে ২ উইকেটে ২০৯ রান। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে আর ধৈর্য পরীক্ষায় সফল হতে পারেনি স্বাগতিকরা। শট খেলতে গিয়ে বরং বিলিয়ে দিয়েছে আরও ৩ উইকেট!









