প্রস্তুতি ম্যাচে রান পেয়ে ফর্মে ফেরার আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাট হাতে আবার ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে হারারে টেস্টে প্রথম ইনিংসের সেই ব্যর্থতা তিনি ভুলিয়ে দিয়েছেন অসাধারণ বোলিংয়ে। মিরাজের ৫ উইকেটের সঙ্গে ৪ উইকেট শিকারে জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দিতে অসামান্য ভূমিকা ছিল তার। তাদের কারণেই একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭৬ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক দল।
নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কা সিরিজ- ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেয়েছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটেও। সাকিব যেন ব্যাটিং করতেই ভুলে গেছেন! হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসেও এর ব্যতিক্রম ছিল না। দলের প্রয়োজনের সময় মাত্র ৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন।
তবে ব্যাটিংয়ে নিয়মিত ব্যর্থ হলেও বোলিংয়ে কম বেশি সাফল্য পাচ্ছিলেন। যার ঝলক দেখান দ্বিতীয় দিনেই। শেষ বিকালে মিল্টন শুম্বাকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান দলে।
এরপর তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনেও যখন জিম্বাবুয়ের প্রতিরোধ ভাঙা যাচ্ছিল না। তখন বাংলাদেশকে আবার উইকেট আনন্দে মাতান সাকিব। তার লেগ স্টাম্পের ওপরের বল বসে স্কয়ার লেগ দিয়ে উড়াতে চেয়েছিলেন মায়ার্স। সীমানার কাছে মিরাজের সহজ ক্যাচে পরিণত হন তিনি।
এরপর সাকিব ব্যক্তিগত তৃতীয় উইকেট পেয়েছেন মারুমাকে ফিরিয়ে। চতুর্থ উইকেট হিসেবে রিচার্ড এনগারাভাকে শিকার করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের লেজই ছেঁটে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। সবমিলিয়ে সাকিব ৩৪.৫ ওভারে ৮২ রান দিয়ে চার উইকেট শিকার করেছেন। এই নিয়ে অষ্টম বার চার উইকেট নিলেন তিনি। এছাড়া মোট ১৮ বার সাকিব ৫ উইকেট নিয়েছেন। দুইবার নিয়েছেন দশটি উইকেট।









