২৪১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা সাবধানেই করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আগ্রাসী হতে গিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তামিম ইকবাল। ১০ ওভারে ১ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪০ রান। ক্রিজে আছেন সাকিব আল হাসান (০) ও লিটন (১৭)।
অবশ্য চাতারার ষষ্ঠ ওভারেই অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুশ করতে গিয়ে এজ হয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ব্রেন্ডন টেলরের হাতে পড়ার আগেই বলটি ড্রপ খেয়ে যায়! দশম ওভারে আর রক্ষে হয়নি। বেশি আগ্রাসী হতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন বামহাতি ওপেনার। লুক জঙউইর প্রথম বলটি চার মেরেছিলেন পয়েন্ট-কভার পয়েন্ট দিয়ে। তৃতীয় বলেও একই জায়গা দিয়ে মারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেশি ওপরে উঠে যাওয়ায় সতর্ক রাজা এক ডাইভ দিয়ে অসাধারণ ক্যাচে তালুবন্দি করেন তামিমকে। ওয়ানডে অধিনায়ক ৩৪ বলে বিদায় নেন ২০ রান করে।
এর আগে হারারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৪০ রান। সর্বোচ্চ ৫৬ রান এসেছে ওয়েসলি মাধেভেরের ব্যাট থেকে। এছাড়া অবদান রেখেছেন ব্রেন্ডন টেলর (৪৬), ডিয়ন মায়ার্স (৩৪), সিকান্দার রাজা (৩০) ও রেগিস চাকাভা (২৬)।
মূলত ষষ্ঠ উইকেকেটে সিকান্দার রাজা ও মেধেভেরের ৬৩ রানের জুটিই দুইশো ছাড়াতে ভূমিকা রাখে স্বাগতিকদের।
একটা সময় ব্রেন্ডন টেলরের ব্যাটেই জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল ছিল। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক থাকলে স্কোরবোর্ড হয়তো আরও সমৃদ্ধই হতো। কিন্তু ২৪.২ ওভারে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হিট উইকেট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
শরিফুল ইসলামের বলে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হয়নি। অসাবধানতায় ব্যাট পেছনে নিতে গিয়ে স্টাম্পে আঘাত করে বসেন। এরপর আম্পায়াররা বেশ খানিকক্ষণ আলোচনার পর আউটের সিদ্ধান্ত দেন তাকে। আউটের আগে ৫৭ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় টেলর করেন ৪৬ রান।
এর পর সিকান্দার রাজা ও মেধেভেরের জুটিই সমৃদ্ধ করে স্কোরবোর্ড। শরিফের আঘাতে মেধেভেরে ফিরে গেলে এর পর আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেননি কেউ।
বল হাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শরিফুল। শেষের আঘাতে বাঁহাতি পেসার ১০ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সাকিব ১০ ওভারে ৪২ রান খরচায় পেয়েছেন ২ উইকেট। আর একটি করে উইকেট শিকার তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের।









