২ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জিততে চাই ২৩ রান, ৬ উইকেট হাতে রেখে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে এমন লক্ষ্য কোনও ব্যাপারই না। ১৯তম ওভারে বল হাতে মোস্তাফিজ। চিত্রনাট্যতা পাল্টাতে সময় লাগেনি। বাঁহাতি এই পেসারের ৬ বলে মাত্র ১ রান নিতে পারেন অজি দুই ব্যাটসম্যান। আর তাতেই ম্যাচ ঘুরে যায় বাংলাদেশের পক্ষে। মোস্তাফিজের এমন বোলিং দেখে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তাকে চ্যাম্পিয়ন বোলার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মোস্তাফিজের স্পেলগুলোকে ৫ উইকেটের সঙ্গে তুলনা করছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
শুক্রবার ভয়ংকর সব স্লোয়ার ও কাটারে অজি ব্যাটসম্যানদের বিধ্বস্ত করেন মোস্তাফিজ। ১৯তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারি প্রথম বল খেলতে গিয়ে মিস করেন। দ্বিতীয় বল পয়েন্টে ঠেলে এক রান নেন ক্যারি। স্ট্রাইকে থাকা ড্যান ক্রিস্টিয়ান পরের চার বলের একটিও ব্যাটে লাগাতে পারলেন না। আর তাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ম্যাচ চলে আসে বাংলাদেশের হাতের মুঠোয়। শুধু ১৯তম ওভারই নয়, ১৩তম ওভারেও মোস্তাফিজ এক রান দেন।
সব মিলিয়ে মোস্তাফিজ ৪ ওভার বোলিং করে উইকেট নিতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু রান আটকে দিয়েছেন তিনি। তার ২৪ বলে মাত্র ৯ রান নিতে পেরেছেন সফরকারীরা। আবার এই ২৪ বলের মধ্যে ১৫টিই ডট। মোস্তাফিজের এমন বোলিংয়েই ম্যাচ থেকে ছিটকে যান সফরকারীরা।
ম্যাচ শেষে মোস্তাফিজের প্রশংসা করতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘মোস্তাফিজ আজও অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে। নিজের কাজটা ঠিকঠাক মতো করায় আমাদের কাজটা সহজ করে দিয়েছে। আমি সব সময় বিশ্বাস করি মোস্তাফিজ আমাদের চ্যাম্পিয়ন বোলার, সে বিশ্বমানের বোলার। ইনশাআল্লাহ মোস্তাফিজ আরও অনেক বছর সার্ভিস দেবে, আরও অনেক ম্যাচ জেতাবে।’
মোস্তাফিজ উইকেট না পেলেও মাহমুদউল্লাহ তার ওভারগুলোকে ৫ উইকেটের সমান হিসেবে দেখছেন, ‘আমার মনে হয় মোস্তাফিজের শেষ স্পেলটা ছিল ৫ উইকেট পাওয়ার মতো। স্পেশালি শেষ ওভারে এসে মাত্র এক রান দেওয়া, পাঁচটা ডট বল দেওয়া। একজন বোলারের জন্য এটা অনেক বড় ব্যাপার। আমি দারুন খুশি মোস্তাফিজের পারফরম্যান্সে।’









