প্রথমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নেমে নাস্তানাবুদ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে হেরেছে অজিরা। এই অবস্থায় সব তোপ গিয়ে পড়ছে অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের ওপর। বাংলাদেশের হারের ক্ষতের সঙ্গে পুরনো কিছু ইস্যু মিলিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় (সিএ) থমথমে পরিস্থিতি!
জয়-পরাজয় ছাপিয়ে আরেকটি ইস্যু নিয়ে টালমাটাল ছিলেন ল্যাঙ্গার। টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর ড্রেসিং রুমে বাংলাদেশ দল সিরিজ জয় উদযাপন করে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ দলের উদযাপনের ভিডিও প্রকাশিত হলে টিম ম্যানেজার গ্যাভিন ডোভি ও ল্যাঙ্গার বিবাধে জড়িয়ে পড়েন হোটেলের লবিতেই। টানা দুটি সিরিজে ব্যর্থতার কারণেই হতাশা থেকে এমনটা হয়ে থাকতে পারে বলে মত দিয়েছেন চোটে বাংলাদেশে আসতে না পারা ফিঞ্চ, ‘খেলার ফল নিজেদের পক্ষে না গেলে এমনটা হতেই পারে। এছাড়া টানা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে কিছু সমস্যা তো হতেই পারে। তবে বিষয়গুলো যেভাবে সামনে এসেছে, সেগুলো পারফেক্ট নয়।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরে বাংলাদেশে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া। এখানে এসেও ভাগ্য বদলায়নি অজিদের। সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের কাছেও একই ব্যবধানে হারতে হয়েছে। টানা দুটি সিরিজে হারের পর থেকেই কঠিন পরিস্থিতির মুখে অস্ট্রেলিয়ান কোচ। তবে ল্যাঙ্গারের সঙ্গে ফিঞ্চদের দূরুত্ব শুরু আরও আগে থেকেই। ভারতের কাছে গ্যাবায় টেস্ট হারে অস্ট্রেলিয়া। ওই সময় খবর বেরিয়েছিল ল্যাঙ্গারের সঙ্গে নাকি বনিবনা হচ্ছে না খেলোয়াড়দের। মূলত এই ঘটনা বাইরে যাওয়াতেই খেপেছেন ফিঞ্চ, ‘খুবই হতাশাজনক, একদমই ভালো নয়।’
ল্যাঙ্গারের কোচিংয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠলেও ভারতের বিপক্ষে গ্যাবায় হেরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল থেকে ছিটকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ওই সময় থেকে দলের ভেতরে নানামুখী কন্দোল শুরু হয়। যার প্রভাব টানা দুটি সিরিজে হারের পর প্রকাশ পেয়েছে, ‘এভাবে ভেতরের খবরগুলো বাইরে ফাঁস হওয়াটা মোটেই সুখকর কিছু নয়। এভাবে চলতে থাকলে, যা হবে অত্যন্ত হতাশাজনক।’









