অ্যালিস্টার কুকের অবসরের পর ওপেনিং নিয়ে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ভুগছে ইংল্যান্ড। সুযোগের পর সুযোগ দিয়েও নির্ভরযোগ্য ওপেনার খুঁজে পাচ্ছে না। শুধু তা-ই নয়, তিন নম্বরের সমস্যাও মিটছে না তাদের। ফলে দুই ওপেনার ও তিনে নামা ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতায় ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে চিড় ধরছে প্রায় সব ম্যাচেই। ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের সমস্যাটা যেন আরও জটিল হয়েছে। তাই ঘুরে দাঁড়াতে এবার সিরিজের তৃতীয় টেস্টের স্কোয়াডে ডাক পড়েছে ডেভিড মালানের।
ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেলেও এ যাত্রায় টিকে গেছেন রোরি বার্নস। তবে লিডসের তৃতীয় টেস্টে জায়গা ধরে রাখতে পারেননি দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ডম সিবলি ও জ্যাক ক্রলি। শেষের জন্য অবশ্য ছিলেন না লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে।
২০১৮ সালের আগস্টে সবশেষ টেস্ট খেলেছেন মালান। প্রায় তিন বছর পর টেস্ট দলে সুযোগ হলো তার। এবারের মৌসুমে মাত্র একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেললেও তার ওপর আস্থা রেখেছে ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ ওই এক ম্যাচের এক ইনিংসে তিনি খেলেছিলেন ১৯৯ রানের ঝলমলে ইনিংস। তাছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন মালান। গত কয়েক বছরে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে দাপট দেখিয়ে এখন তিনি এই ফরম্যাটের সেরা ব্যাটসম্যান।
সিবলির জায়গায় সুযোগ হয়েছে মালানের। বাজে পারফরম্যান্সে নাম কাটা পড়েছে এই ওপেনারের। সবশেষ ১৫ টেস্ট ইনিংসে মাত্র একবার ৩৫ ছাড়ানো ইনিংস খেলতে পেরেছেন তিনি। আর এ বছর খেলা ১০ টেস্টে গড় মাত্র ১৯.৭৭!
সিবলির জায়গায় দলে এলেও মালান সম্ভবত তিন নম্বরে ব্যাট করবেন। বার্নসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে হাসিব হামিদকে। মালানের সঙ্গে দলে ফিরেছেন ওলি পোপ, এই ব্যাটসম্যানকে তৃতীয় টেস্টে দেখা যেতে পারে মিডল অর্ডারে।
ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-০তে পিছিয়ে আছে ইংলিশরা। ট্রেন্ট ব্রিজের প্রথম টেস্ট ড্র হলেও লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্ট ১৫১ রানে জিতে নেয় ভারত। সিরিজে সমতা ফিরতে তৃতীয় টেস্টে নামতে মুখিয়ে জো রুটরা।
তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড দল: জো রুট (অধিনায়ক), মঈন আলী, জেমস অ্যান্ডারসন, জনি বেয়ারস্টো, রোরি বার্নস, জস বাটলার (উইকেটকিপার), স্যাম কারেন, হাসিব হামিদ, ড্যান লরেন্স, সাকিব মাহমুদ, ডেভিড মালান, ক্রেগ ওভারটন, ওলি পোপ, ওলি রবিনসন, মার্ক উড।









