২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হওয়ার পর থেকে ৪৩ ম্যাচেই গ্লাভস হাতে নেমেছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। খালেদ মাসুদ পাইলটের যুগে ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে সুযোগ পেয়েছিলেন মুশফিক। পাইলট পরবর্তী যুগে সব ফরম্যাটেই ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি উইকেটের পেছনেও দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশের সেরা এই ব্যাটসম্যান।
গত বছর টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেট গ্লাভস ছেড়েছিলেন। এবার চলতি বছরের শুরুতেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে গ্লাভস ছাড়লেন তরুণ ক্রিকেটার নুরুল হাসান সোহানের কাছে।
শুক্রবার শেষ আবু নাসের স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় নুরুল হাসান সোহানের। তিনি উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে এই ফরম্যাটের ৪৯তম ক্রিকেটার হিসেবে জাতীয় দলে সুযোগ পেলেন। ৭ কিংবা ৮ নাম্বারে কার্যকরী ব্যাটিং এবং উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে বেশ নির্ভরযোগ্য সোহান। ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচে ম্যালকম ওয়ালার হ্যামিলন্টন মাসাকাদজাকে রান আউট করিয়ে সাজঘরের পথ দেখান সোহান। তবে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকা মাসাকাদজাকে (৭৯) রানে নিজ থ্রোতে ফেরান মুশফিক।
মুশফিক কিপিং না করলেও ফিল্ডিংয়ে মাঠে ছিলেন। মাসাকাদজাকে যখন রান আউট করলের সোহান, তখন দৌঁড়ে এসে তাকে বাহবা দিতে ভুল করেননি বাংলাদেশের সেরা এই ব্যাটসম্যান।
গত বছর মে মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে আঙ্গুলে চোট পেয়ে মুশফিককে কিপিং ছেড়ে দিতে হয়। এরপর দলে সুযোগ পান লিটন কুমার দাস। জুনে ভারতের সঙ্গে একমাত্র টেস্টে কিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন লিটন কুমার দাস।
ওই সময় লিটন দাসের ওয়ানডে অভিষেক হলেও প্রথম ম্যাচে কিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন মুশফিক। অবশ্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচেই আবার মুশফিকের গ্লাভসে হাত গলান তরুণ লিটন!
/এমআর/








