মিরপুরের রহস্যময় উইকেটে নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের বোকা মানিয়ে ৬০ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমানের কাটার-স্লোয়ারের সঙ্গে মেহেদী হাসান-নাসুম আহমেদ-সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণি জাদুতে চোখে অন্ধকার দেখেছে কিউই ব্যাটসম্যানরা। অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে যে ছক কষেছিল বাংলাদেশ, সেই একই ছকে নিউজিল্যান্ডকে নাস্তানাবুদ করেছে স্বাগতিকরা। সাকিব যদিও এই উইকেটকে অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও কঠিন মনে করছেন।
২ উইকেট ও ২৫ রান নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন সাকিব। পিচ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই অলরাউন্ডার জানালেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেও কঠিন উইকেট ছিল। তার সঙ্গে আমরাও ভালো জায়গায় বল করেছি। নিউজিল্যান্ড অনেক অনভিজ্ঞ দল এই কন্ডিশনে। স্বাভাবিকভাবেই সংগ্রাম করেছে।’
নিজেদের কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গেও ব্যাটিংটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও শুরুটা ভালো হয়নি। কিউইরা আরও কিছু রান করতে পারলে বিপদ বাড়তো মাহমুদউল্লাদের। ব্যাটিং নিয়ে সাকিব বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটিং এখন পর্যন্ত চাওয়া মতো হচ্ছে না। কন্ডিশনও আমাদের পক্ষে না। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যত বেশি সিঙ্গেল নেওয়াটাই বা রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেট। এই দুটো জিনিস আমার মনে হয়। কারণ বাউন্ডারি মারাটা খুবই কঠিন। সবসময় ইতিবাচক মনোভাব রাখলে সিঙ্গেল বা ডাবলস নেওয়া সহজ হয়। তখন ব্যাটসম্যানের চাপ সরে যায়। সেট হয়ে গেলে একটা-দুইটা বাজে বল পেলে রান করা যায়। কাজেই অনেক চ্যালেঞ্জিং একটা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে ব্যাটসম্যানরা যাচ্ছে।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজসেরা হয়েছিলেন সাকিব। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই হলেন ম্যাচসেরা। এমন অর্জন উজ্জীবিত করে সাকিবকেও, ‘খুবই ভালো অনুভব হচ্ছে প্রথম ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ হতে পেরে। কারণ আমরা কখনও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ জিতিনি। কিন্তু এইগুলো আমি মাথায় রাখতে চাই না। তবে সবাই যখন বলে এরকম একটা টার্গেটের সামনে আছি, এরকম একটা মাইলফলক আছে, তখন ভালো লাগে।’









