ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে কিউই ব্যাটসম্যানদের কঠিন সময় ‘উপহার’ দিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। মিরপুরের ২২ গজে তার ঘূর্ণি জাদুতেই মূলত ৯৩ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। বুধবার চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরা হয়ে এই সাফল্যের রহস্য উন্মোচন করলেন তিনি।
নাজমুল ইসলাম অপুর পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দুটি মেডেন পাওয়া নাসুম ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘দল থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে, অধিনায়ক ও অভিজ্ঞরা আমাকে অনেক সমর্থন করছেন। আর এতে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। আর কোচদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমি কাজ করছি।’
কোচদের সঙ্গে আলোচনা করেই পেয়েছেন নতুন কৌশল। আর সেটি ম্যাচে প্রয়োগ করে সফল এই বাঁহাতি স্পিনার, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) অনুশীলনে কোচ বলছিলেন, এই উইকেটে আরও একটু আস্তে বল করলে ভালো হয়। কালকে ওটাই অনুশীলন করছিলাম, আর আজ (বুধবার) ওটা (আস্তে বল) ম্যাচে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি।’
চলতি বছরের মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হয় নাসুমের। অভিষেকের পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। অভিষেকে ২ উইকেট পেলেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। তবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে চলছে তার দাপট, আর জয়ের ভেলায় ভাসছে বাংলাদেশ।
বুধবার নাসুমের পারফরম্যান্সে দল পেয়েছে ৬ উইকেটের জয়। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে দারুণ খুশি ২৬ বছর বয়সী স্পিনার, ‘নিউজিল্যান্ডে অভিষেক ম্যাচে ২ উইকেট নিয়েছিলাম। কিন্তু দল জেতেনি। একটা আক্ষেপ ছিল, ওদের সঙ্গে জিততে পারিনি। তো আলহামদুলিল্লাহ হোম কন্ডিশনে আমরা সিরিজ জিতেছি। প্রথম দুটো জেতার পর আজ চার নম্বর ম্যাচে এসে সিরিজ জিতলাম। অনুভূতি বলতে খুব ভালো লাগছে, দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে।’
চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে আউট করেছেন নাসুম। তবে কিউই ওপেনার ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়ে সবচেয়ে বেশি তৃপ্ত বাঁহাতি এই স্পিনার, ‘আমার কাছে ফিন অ্যালেনের উইকেটটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আর গ্র্যান্ডহোমকে তো আমি আজ নিয়ে তিনবার আউট করলাম। অ্যালেনের উইকেট তুলে নিতে পেরে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ও রিভার্স সুইপ করতে চাচ্ছিল, আমি ওই ডেলিভারিটা খুব জোরে বল করেছি, আর ও মিস টাইম করেছে।’








